রাষ্ট্রপতির একক সিদ্ধান্তে সেনাবাহিনী মোতায়েন

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাদের একযোগে প্রতিবাদ ও বঙ্গভবনের বৈঠক থেকে দৃশ্যত ওয়াকআউটের মুখে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ সম্পূর্ণ একতরফাভাবে সারা দেশে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধানত্দ নিয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতে বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন তার রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে সেনা মোতায়েনের এই সিদ্ধানত্দের কথা জানান। তবে রাষ্ট্রপতির এই সিদ্ধানত্দে ১০ উপদেষ্টার কেউই একমত হননি এবং তারা তাদের অসম্মতির কথা জানিয়ে বৈঠক ভেঙে বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে যান। বৈঠক শেষে বঙ্গভবনে রাতের খাবারের আয়োজন থাকলেও ক্ষুব্ধ উপদেষ্টারা না খেয়েই চলে আসেন। গভীর রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আসন্ন সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে সরকার বেসরকারি প্রশাসনকে সহায়তার জন্য আজ (শনিবার) রাতে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনগণের জানমাল রক্ষা এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যাহত রাখতে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজনীয়তা অনুভবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি এ সিদ্ধানত্দ নিয়েছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট প্রস\’ত রাখতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের সব জেলা প্রশাসনকে ইতিমধ্যে নির্দেশনা পাঠিয়েছে। এ দিকে গভীর রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অপর এক সিদ্ধানত্দে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার এবিএম বজলুর রহমান এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বঙ্গভবনের চারপাশে সমাবেশ, মিছিল, বিক্ষোভ, ঘেরাও ও অবস্থান নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং তত্ত্বাবধায়ক আমলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ তার অধীনে ন্যসত্দ। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রাষ্ট্রপতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বপ্রাপ্ত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সারা দেশে সেনাবাহিনীর এখন শীতকালীন মহড়া চলছে। জানা গেছে, যেসব জায়গায় মহড়া চলছে সেখান থেকে এবং অন্যান্য স্থানে নিকটস্থ সেনানিবাস থেকে সেনা সদস্যদের মোতায়েন করা হচ্ছে। আজ রোববার সকাল থেকেই দেশজুড়ে সেনা সদস্যরা তাদের অবস্থান গ্রহণ করবেন।
প্রসঙ্গত, আগামী নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে উপদেষ্টা পরিষদ গতকাল দিনে-রাতে দুদফা বৈঠকে বসে বঙ্গভবনে। রাতের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি এককভাবে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধানত্দ নিয়ে উপদেষ্টাদেরকে তা অনুমোদন করতে বার বার চাপ দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে উপদেষ্টাদের একযোগে অসম্মতির মুখে বৈঠক ২ ঘণ্টার মাথায় ভেঙে যায়। এর পরপরই বঙ্গভবনে যান এটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী ও স্বরাষ্ট্র সচিব আবদুল করিম। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তাদের বৈঠকের পরই সেনা মোতায়েনের এবং বঙ্গভবনের চারপাশে সভা-সমাবেশ-ঘেরাও-অবস্থান নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উল্লেখ্য, প্যাকেজ প্রসত্দাব ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণ বাসত্দবায়ন করা না হলে ১৪ দল আজ রোববার থেকে বঙ্গভবনের চারপাশে লাগাতার ঘেরাওয়ের হুমকি দিয়েছিল। তবে গতরাতে নতুন উদ্যোগ নিয়ে উপদেষ্টাদের ১৪ দলের সঙ্গে যোগাযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কর্মসূচির চূড়ানত্দ ঘোষণা আজ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। সে ক্ষেত্রে বঙ্গভবন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি আজ হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বঙ্গভবনে বৈঠক শুরু হওয়ার মাঝপথে রাষ্ট্রপতি সেনা মোতায়েনের কথা জানান। কিন\’ ১০ উপদেষ্টার কারো সম্মতি না পেয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি নিজে রাষ্ট্রপতি হিসেবে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধানত্দ নেবো।’
বৈঠকে উপদেষ্টারা ১৪ দল ও ৪ দলের সঙ্গে সমঝোতা অনুযায়ী প্যাকেজ প্রসত্দাবের অবশিষ্টাংশ বাসত্দবায়নের ওপর জোর দিলে রাষ্ট্রপতি প্রধান উপদেষ্টা তাতে রাজি হননি। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী নামালেই পরিস্থিতি শানত্দ হয়ে যাবে, কোনো সমস্যা থাকবে না। কিন\’ রাষ্ট্রপতির এই প্রসত্দাবে ১০ উপদেষ্টা একযোগে অস্বীকৃতি জানান। তারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা প্রয়োগ করে তার একতরফা এই সিদ্ধানত্দের বিরোধিতা করে বলেন, আমরা মনে করি সেনাবাহিনী নামিয়ে পরিস্থিতি শানত্দ হবে না, রাজনৈতিক সংকট মিটবে না এবং নির্বাচনী পরিবেশও তৈরি হবে না। সেনাবাহিনী মোতায়েনের মতো পরিস্থিতি এখনো হয়নি, শুধু নির্বাচনকালীন সময়েই সেনা মোতায়েন হওয়া উচিত। এভাবে এক পর্যায়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক ভেঙে যায়।
রাষ্ট্রপতির সেনা নামানোর সিদ্ধানত্দ সম্পর্কে উপদেষ্টা সুলতানা কামাল বার্তা সংস্থা বিডি নিউজকে বলেন, সেনাবাহিনীর কাজ কী হবে, কী কারণে এবং কখন তাদের নামানো হবে সে বিষয়ে তারা কিছু জানেন না। আরেক উপদেষ্টা য়াসমিন মুর্শেদ রাষ্ট্রপতির সিদ্ধানত্দের কথা জানিয়ে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি আমাদেরকে বলেছেন, আমি সেনা মোতায়েনের সিদ্ধানত্দ নিয়েছি। বিষয়টি আপনাদের অবহিত করলাম’। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃতীয় আরেকজন উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির একক সিদ্ধানত্দে সেনা মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘রাতে খাবারের আয়োজন থাকলেও তারা না খেয়েই বঙ্গভবন ত্যাগ করেন।’ উপদেষ্টা সুফিয়া রহমান সেনা মোতায়েন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো মনত্দব্য করবো না। বৈঠকের বিষয়টি উপদেষ্টা মাহবুবুল আলম আপনাদের ব্রিফিং করবেন।’
এদিকে গত রাতে উপদেষ্টা পরিষদের দ্বিতীয় দফা বৈঠক শেষে উপদেষ্টা সি এম শফি সামী সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের ব্যাপারে আমাদের উদ্যোগ রাজনৈতিক মতানৈক্যের কারণে আটকে গেছে। তবে আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি সেনা মোতায়েনের সিদ্ধানত্দ সম্পর্কে কিছু বলেননি। তবে তথ্য উপদেষ্টা মাহবুবুল আলম বলেন, সেনা মোতায়েনের সিদ্ধানত্দ রাষ্ট্রপতির এখতিয়ারভুক্ত। সি এম শফি সামী ও মাহবুবুল আলম অবশ্য জানান, সংকট নিরসনে তাদের চেষ্টা চলছে। আজ রোববার তারা আরো আলোচনা করবেন এবং তাদের প্রসত্দাব নিয়ে ১৪ দল ও ৪ দলের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমঝোতায় উপনীত হতে চেষ্টা চালাবেন।
এর আগে গতকাল দিনের বেলায় উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে বসলে প্যাকেজ প্রসত্দাবের সর্বশেষ অংশ অর্থাৎ দুই নির্বাচন কমিশনারকে (স ম জাকারিয়া ও মোদাবি্বর হোসেন চৌধুরী) ছুটিতে পাঠানো এবং নতুন দুজন ইসি নিয়োগের বিষয়ে ৪ দল বেঁকে বসায় নতুন আরেকটি প্রসত্দাব নিয়ে আলোচনা হয়। এতে জাকারিয়া-মোদাবি্বর ছুটিতে গেলেও ইসিতে আর কোনো নতুন ইসি নিয়োগ করা হবে না বলে একটি প্রসত্দাব তৈরি করা হয়। তবে এই প্রসত্দাব নিয়ে উপদেষ্টাদের প্রতিনিধিদল ১৪ দল ও ৪ দলের সঙ্গে আবারো বৈঠকে বসার উদ্যোগ নিলে তা আর সম্ভব হয়নি।
বঙ্গভবনে উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম দফা বৈঠক শেষে মাহবুবুল আলম বলেন, সংকট অবসানে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা প্রক্রিয়া ব্যাহত হলে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া বাধাগ্রসত্দ হবে। তিনি বলেন, আপনারা তো জানেন সরকার একটা জায়গায় আটকে আছে, তবে সমস্যা সমাধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে মাহবুবুল আলম বলেন, ‘যে সমস্যা নিয়ে সরকার থমকে আছে সেটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তারপর অন্য বিষয় নিয়ে চিনত্দা করা হবে।’ তার আশা সঙকট কেটে যাবে। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কীভাবে বাধা দূর করা যায় সভায় সে বিষয়ে আলোচনা করেছি।’ ১৪ দলের দেওয়া ২৪ ঘন্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ধৈর্য্য ধরুন। ডেডলাইনের আগে দেখা যাক কী করা যায়’।
উল্লেখ্য, এই সভায় আট উপদেষ্টা এবং নির্বাচন কমিশন সচিব আবদুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন। দুই উপদেষ্টা এম আজিজুল হক এবং প্রফেসর সুফিয়া রহমান সভায় উপস্থিত ছিলেন না।
সূত্র মতে, বৈঠকের জন্য ১৪ দল প্রধান শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো নতুন প্রসত্দাব নিয়ে বৈঠক করতে অস্বীকৃতি জানান। শেখ হাসিনা উপদেষ্টাদের বলেছেন আমরা নতুন কোনো প্রসত্দাব নিয়ে আলোচনা করতে চাই না। আমরা প্যাকেজ প্রসত্দাবে সম্মত হয়েছিলাম, আপনারা সেটা বাসত্দবায়ন করুন তাহলেই চলবে। এর পরে আলোচনা করতে অসুবিধা নেই।
এরপর ১৪ দলের সমন্বয়ক আব্দুল জলিল এক প্রেসব্রিফিঙে জানান, ১৪ দল উপদেষ্টাদের নতুন প্রসত্দাব গ্রহণ করেনি। তারা তাদেরকে প্যাকেজ প্রসত্দাব বাসত্দবায়ন করতে বলেছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার ১৪ দল বৈঠক করে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে।
সেনা মোতায়েন সম্পর্কে বাসস : সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস সূত্র উল্লেখ করে গত রাতে জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে সম্ভাব্য অনাকাঙ্খিত আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, বিডিআর, আনসারসহ সকল আইনশৃংখলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এতদসত্ত্বেও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী কাজ রোধকল্পে বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তার জন্য সামরিক বাহিনীর সহায়তার প্রয়োজন দেখা দেওয়ায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা স্বরাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ প্রদান করেছেন। এই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির ১২৯, ১৩০ ও ১৩১ ধারা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং এইড টু দি সিভিল পাওয়ার-এর ৭ম ও ১০ম পরিচ্ছেদের আওতায় সামরিক বাহিনী নিয়োগ করার এ নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সূত্র জানায়, এ অবস্থার আলোকে আইনশৃংখলা বাহিনীর সহায়তায় (এইড টু দি সিভিল পাওয়ার) সামরিক বাহিনী নিয়োগের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামরিক বাহিনীর কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট রাখা এবং ক্ষেত্র মতে দায়িত্বপালনের জন্য সকল জেলা প্রশাসককে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নির্দেশ দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মেট্রোপলিটন এলাকায় অনুরূপভাবে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট প্রস\’ত রাখা ও ক্ষেত্রমতে দায়িত্ব পালনের জন্য মুখ্য মহানগর হাকিমদের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পরবতর্ী আওয়ামী লীগ সরকার আমলে আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণের লক্ষে এবং সদ্য বিদায়ী বিএনপি সরকারের আমলে একইভাবে ক্লিনহার্ট অপারেশনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। এছাড়াও ভিজিএফ কার্ডসহ বিভিন্ন সময় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। সূত্র জানায়, অতীতে সংসদ নির্বাচনকালে তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃংখলা রক্ষা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী দমনে সেনাবাহিনী তলব করা হয়।

সূত্রঃ http://bhorerkagoj.net/online/news.php?id=28450&sys=1

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: