হাসিনার মতে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা নেই

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও ১৪ দল নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে- এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই৷  নির্বাচন নিয়ে যারা বারবার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে তাদের মুখে সংবিধান রক্ষার কথা মানায় না৷ তিনি বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের বিভিন্ন উপনির্বাচনের উদাহরণ দিয়ে বলেন, তারা তিনটি উপনির্বাচন ৯০ দিনের সময় পার হওয়ার পর করেছে৷ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ৯০ দিন কোনো বাধা হতে পারে না৷ তারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ভোট চুরির নির্বাচন করতে চায় বলেই নির্বাচন নিয়ে এ রকম অনেক বাহানা করছে৷
গতকাল রবিবার বিএনপির সাবেক নেতা ও মন্ত্রী মাইদুল ইসলাম মুকুল, জাতীয় পাটির সাবেক মন্ত্রী কুমিল্লার এ বি এম গোলাম মোস্তফা এবং মেজর জেনারেল আবদুল হাফিজ মল্লিকের আওয়ামী লীগে যোগদান উপলক্ষে ধানমন্ডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন৷ অনুষ্ঠানে দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলসহ কেন্দ্রীয় নেতারা এবং যোগদানকারী নেতাদের কয়েক হাজার সমর্থক উপস্থিত ছিলেন৷
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও ১৪ দল নেত্রী শেখ হাসিনা ভোটার তালিকা সংশোধন শেষে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ এবং নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির পরই ইলেকশন শেডিউল ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন৷ তিনি বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধন ছাড়া দেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না৷
শেখ হাসিনা তাদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে বলেন, ভোটের অধিকার নিশ্চিত হলে ভাতের অধিকার নিশ্চিত হবে৷ তাই আমরা সংগ্রাম করছি মানুষ যাতে তাদের পছন্দের দল ও প্রার্থীকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠাতে পারে৷ তিনি ভোটার তালিকা হালনাগাদের ‘বেহাল’ অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, যারা সংশোধনের কাজ করছে তারা বিএনপি-জামায়াতের স্বার্থ রক্ষা করে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে৷ আওয়ামী লীগের ভোটারদের নাম বেছে বেছে কেটে দেয়া হচ্ছে৷ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আমাদের কাছে এসব অভিযোগ আসছে৷
বিগত জোট সরকারের সমালোচনা করে ১৪ দল নেত্রী হাসিনা বলেন, তারা গত পাচ বছরে দুর্নীতি করে অর্জিত অর্থ ভোগ করতে ভোট চুরি করে আবারও ক্ষমতায় আসতে চায়৷ তাই যে কোনো উপায়ে হোক জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষা করতে হবে৷ অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে৷ বিজয়ের এই মাসে রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়কে নিয়ে আমরা ছিনিমিনি খেলতে দেবো না৷
শেখ হাসিনা বলেন, জোট সরকার দুর্নীতি ও দুঃশাসন ছাড়া জনগণকে কিছুই দিতে পারেনি৷ তাদের মন্ত্রী-এমপিরা লাজলজ্জা ছেড়ে দু’হাতে জনগণের টাকা লুটপাট করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে৷ এদের দুঃশাসনে মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে৷ তারা বুঝতে পেরেছে, এবার তারা ভোট পাবে না৷ সে জন্য ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে আবার ক্ষমতায় ফিরতে চায়৷
সূত্রঃ http://www.jaijaidin.com/view_news.php?News-ID=23040&issue=168&nav_id=1

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: