প্রেসিডেন্টের দীর্ঘ বিবৃতি  সার্বিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা সময় মতো নির্বাচন করে ক্ষমতা হস্তান্তরে আমি অঙ্গীকারবদ্ধ

প্রেসিডেন্ট ও কেয়ারটেকার সরকারের চিফ অ্যাডভাইজর প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বিধানকে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারে না৷ সংবিধান রক্ষার লক্ষ্যে আমি শপথ নিয়েছি৷ এ শপথ রক্ষার স্বার্থেই যথাসময়ে নির্বাচন করে নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্বভার হস্তান্তর করতে আমি অঙ্গীকারবদ্ধ৷
বিবৃতিতে তিনি সংবিধান রক্ষায় সবার সহযোগিতা কামনা করে বলেন, নির্বাচন কমিশন আগামী ২২ জানুয়ারি ২০০৭ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সব পদক্ষেপ নিয়েছে৷ আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে কোনো মহল যাতে সুপরিকল্পিতভাবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আমার সরকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি নির্দেশ প্রদান করেছে৷ জনগণ যাতে নির্ভয়ে এবং উত্সবমুখর পরিবেশে তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে৷ সরকার দৃঢ়ভাবে আশা করে, আগামী ২২ জানুয়ারি ২০০৭ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং এরপর নিয়ম অনুযায়ী আমরা নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবো৷ তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকারের বিরাজমান রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে সাংবিধানিকভাবে পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ থাকবে৷
চিফ অ্যাডভাইজর হিসেবে নিজের দায়িত্ব নেয়ার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে তিনি বলেন, সংবিধানের ৫৮গ(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত সর্বশেষ প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিযুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও একটি রাজনৈতিক জোটের আপত্তির কারণে তিনি ওই পদ গ্রহণে অসম্মতি জানান৷ এ পরিস্থিততে প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মহাসচিব ও সাধারণ সম্পাদককে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানাই এবং তাদের সঙ্গে সঙ্কট নিরসনের বিষয়ে আলোচনা করি৷ সংবিধানের ৫৮গ(৩) বিধান অনুযায়ী সুপৃম কোর্টের অন্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ইন্তেকাল করায় সংবিধানের ৫৮গ(৪) অনুচ্ছেদ অনুসরণ করা হয়৷ বিদ্যমান পরিস্থিততে আপিল বিভাগের সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এম এ আজিজ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত থাকায় এবং অন্য আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের মধ্যে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত বিচারক প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করায় সংবিধানের এ দুটি অপশন শেষ হয়ে যায়৷ এরপর প্রধান চারটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমি এ অনুচ্ছেদের পঞ্চম ধারামতে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা করি; কিন্তু তারা ঐকমত্যে পৌছতে না পারায় বাধ্য হয়ে আমাকে জাতির এক সঙ্কটময় মুহূর্তে গত ২৯ অক্টোবর ২০০৬ সংবিধানের ৫৮(গ) অনুচ্ছেদের (৬) দফা অনুযায়ী স্বীয় দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়৷
চিফ অ্যাডভাইজর বলেন, সংবিধানের ৫৮ঘ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুসারে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে এমপিদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য যেরূপ সাহায্য ও সহায়তার প্রয়োজন হবে, নির্বাচন কমিশনকে সেরূপ সব সম্ভাব্য সাহায্য ও সহায়তা প্রদান করা৷ সংবিধানের ১২৩(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মেয়াদ অবসানের কারণে অথবা মেয়াদ অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ সাংবিধানিক এ বাধ্যবাধকতাকে সামনে রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছে৷
প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রাজনৈতিক সঙ্কট সমাধানে নিজের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পূরণ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এখতিয়ার বহির্ভূত হলেও উদ্ভূত পরিস্থতি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর দাবির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সব প্রতিকূল পরিবেশ ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে মোকাবেলা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন ইসুর নিষ্পত্তি করে৷ আন্দোলনকারী রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান ছিল, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বিচারপতি কে এম হাসান দায়িত্ব গ্রহণ থেকে বিরত থাকলেই বিরাজমান সঙ্কটের সমাধান হবে৷ সংবিধানের আওতায় থেকে সঙ্কট সমাধানে উপদেষ্টা পরিষদ দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে৷ আলোচনার মাধ্যমে তাদের দাবি পূরণ হলেও একের পর এক নতুন দাবি আসতে থাকে৷ এক পর্যায়ে আলোচনা থেমে যাওয়ার উপক্রম হলে সমস্যা নিরসনে প্রেসিডেন্Uরে উপদেষ্টা এ বিষয়ে দুই নেত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন৷ উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ নিয়ে অনেক আলোচনা হয়৷ এ জন্য আমি তাদের সবাইকে এবং বিদায়ী উপদেষ্টারদেরও ধন্যবাদ জানাই৷
তিনি বলেন, সাংবিধানিক পদে নিয়োজিত কাউকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়া সম্ভব না হলেও দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে আমার অনুরোধে সাড়া দিয়ে সিইসি বিচারপতি এম এ আজিজ ছুটিতে গেলেও পুনরায় নতুন করে আন্দোলন শুরু করা হয়৷ উপদেষ্টারা বিরাজমান সঙ্কট নিরসনে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের কাছাকাছি উপনীত হন৷ আন্দোলনকারী দলগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়৷ নিয়োগ করা হয় দু’জন নির্বাচন কমিশনার৷ প্যাকেজ প্রস্তাব অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনার মোদাব্বির হোসেন চৌধুরীকে ছুটিতে পাঠানোর কথা বলা হলেও আন্দোলনকারী দলগুলোর পক্ষ থেকে মোদাব্বিরকে রেখে নির্বাচন কমিশনার স ম জাকারিয়াকে ছুটিতে পাঠাতে বলা হয়৷ অন্য রাজনৈতিক পক্ষ জাকারিয়ার ছুটিতে যাওয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে চায়নি৷ জাকারিয়াকে ছুটিতে পাঠানো সম্ভব না হলেই কেবল তাকে ব্যালান্স করতে এবং মোদাব্বিরের অবর্তমানে আরেকজন নতুন কমিশনার দেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল৷ তখন যে ব্যক্তির নাম দেয়া হয়েছিল তার ব্যাপারে অন্য পক্ষ থেকে আপত্তি আসে৷ শেষ পর্যন্ত আমি জাকারিয়াকেও ছুটিতে যেতে সম্মত করাই৷ আন্দোলনকারী রাজনৈতিক জোট তাদের দাবি পূরণ হলে তারা আন্দোলন পরিহার করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়৷ তারা তাদের এ সিদ্ধান্তের কথা আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রের প্রতিনিধদেরও অবহিত করেন৷ সঙ্কট নিরসনের লক্ষ্যে উপদেষ্টা পরিষদের প্যাকেজ প্রস্তাবের আওতায় স্বরাষ্ট্র ও সংস্থাপন মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব বদল করতে বললে তা-ও বাস্তবায়ন করা হয়৷ আমাদের উদ্যোগের অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার সূত্র ধরে নির্বাচন কমিশন পূর্বঘোষিত তফসিল চারবার পরিবর্তন করে৷ আন্দোলনকারীদের দায়ের করা মামলায় হাই কোর্টের দেয়া রায় অনুযায়ী ২০০০ সালের ভোটার তালিকা এবং চলমান হালনাগাদ ভোটার তালিকা আসন্ন নির্বাচনে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা তাদের পরিষ্কারভাবে বলা হয়৷ তাদের দাবির বাইরেও স ম জাকারিয়াকে ছুটিতে পাঠানোর পরও নতুন অনেক দাবি পূরণ করা হয়৷ সর্বশেষ দাবি পূরণ করার সময়ও অন্যবারের মতো এখানেই আন্দোলন শেষ হবে মর্মে আন্দোলনকারীদের কাছ থেকে মৌখিক ওয়াদা নেয়া হয়৷ প্রেসিডেন্Uরে উপদেষ্টা এবং সরকারের উপদেষ্টারা এ বিষয়ে আন্দোলনকারীদের নেতৃত্ব পর্যায়ে আলোচনা করেন৷ কথা ছিল বিটিভতে ঘোষণা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হবে; কিন্তু তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখেন৷ পরে আবার মনোনয়ন দাখিলের তারিখ দু’দিন পেছাতে বলেন এবং তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানান৷ সব দলকে নির্বাচনে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্বের বাইরে এসব দাবি মেনে নেন৷ ২৩ ডিসেম্বর ১৪ দলের সমন্বয়ক ঘোষণা দেন, ৯০ দিনের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব৷
প্রেসিডেন্ট এ প্রসঙ্গে ১৪ দল নেত্রী শেখ হাসিনার ২০০১ সালের ১২ এপৃল জাতীয় সংসদের সমাপনী অধিবেশনে দেয়া ভাষণের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন৷ সে ভাষণে শেখ হাসিনা উল্লেখ করেছিলেন- একটা সংসদ ভেঙে দেয়া হয় তাহলে ৯০ দিনের মধ্যে সে সংসদের নির্বাচন হতেই হবে৷ আমাদের পবিত্র সংবিধানে এ কথাই বলা আছে, সংসদ নির্বাচন যে কোনো পরিস্থিতি হোক, ৯০ দিনের মধ্যে হতেই হবে৷ উপ-নির্বাচনের ক্ষেত্রে দৈব-দুর্বিপাকে নির্বাচন পেছাতে পারে বা আগাতে পারে বা ৯০ দিনের পরও হতে পারে৷ কিন্তু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের পবিত্র সংবিধানে স্পষ্ট লেখা আছে, ৯০ দিনের মধ্যে যে কোনোভাবে হোক নির্বাচন হতেই হবে৷
মহাজোটের নির্বাচন বর্জন প্রসঙ্গে প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, গত ২৪ ডিসেম্বর আন্দোলনকারী মহাজোট নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দেয় এবং তারা নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী ২৬ ডিসেম্বর ২০০৬ মনোনয়নপত্র জমা দেয়৷ এতে বিরাজমান সঙ্কটের সমাধান হয়৷ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে গত ৩ জানুয়ারি ২০০৭ মহাজোটের আচমকা প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা নতুন সঙ্কটের জন্ম দেয়, যা আমাকে বিস্মিত ও হতাশ করে৷ সবকিছু মেনে নিয়েই তারা নির্বাচনে এসেছেন৷ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ প্রত্যাহার করলেও দেশের একটি নির্বাচনী এলাকায়ও মনোনয়নশূন্য অবস্থার সৃষ্টি হয়নি৷ এদিকে বিধি অনুযায়ী নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে৷ অনেকে ওইদিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যান৷ নির্বাচন কমিশন স্বাধীন-সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান৷ সরকার এ প্রতিষ্ঠানের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারে না৷ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার পর্ব শেষ হওয়ায় নির্বাচন ছাড়া কমিশনেরও এখন আর কিছু করার নেই৷ যারা ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তাদের আদালতের আশ্রয় নেয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে৷ নির্বাচন প্রক্রিয়ার এ অবস্থায় সংবিধান অনুযায়ী আদালতে রেফারেন্স পাঠানোর কোনো উপায় নেই৷ কারণ নির্বাচিত এমপিদের আদালতে যাওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হওয়া ছাড়াও সাধারণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৯০ দিনের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ সংবিধানে রাখা হয়নি৷ অ্যাক্ট অফ গড বা দৈব-দুর্বিপাকের ক্ষেত্রে কেবল একটি নির্দিষ্ট আসনের উপ-নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৯০ দিন বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে আর সংসদ ছাড়া সংবিধান সংশোধনেরও কোনো সুযোগ নেই৷
তিনি বলেন, আমরা পূর্বাপর চেষ্টা করেছি সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসতে৷ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোকে কেউ অধিকার মনে করতে চাইলে কারো কিছু বলার নেই৷ আমি একজন শিক্ষক হিসেবে সব সময় নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেছি৷ এবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আন্দোলনকারীদের দাবি মানতে গিয়ে অন্য পক্ষকে আমাকে অবজ্ঞা করতে হয়েছে৷ এরপরও আমার নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রশ্ন তোলা হয়েছে৷ আমি ছাড়া অন্য কেউ প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকলে এতো রাজনৈতিক দাবি আদায় হতো কি না তা উপলব্ধি করার জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের অতীতের তত্ত্বাবধায়ক সরকারগুলোর দিকে ফিরে তাকাতে অনুরোধ করবো৷
সূত্রঃ http://www.jaijaidin.com/view_news.php?News-ID=25090&issue=185&nav_id=1

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: