অবরোধকারীদের দাড়াতেই দেয়নি পুলিশ, সংঘর্ষে আহত দুই শতাধিক, পুলিশের ওপর বোমা, দূরপাল্লা ছাড়া যান চলাচল ছিল প্রায় স্বাভাবিক

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বে মহাঐক্যজোটের ডাকা ৭২ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে পুলিশের কঠোর পদক্ষেপের কারণে মাঠে টিকতে পারেনি অবরোধকারীরা৷ মহাজোট সমর্থকরা সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিছিল বের করলে পুলিশ তাদের হটিয়ে দেয়৷
কয়েকটি স্পটে অবরোধকারীরা পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে৷ বিভিন্ন স্পটে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে পিকেটাররা পুলিশকে লক্ষ্য করে বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে৷ পুরনো ঢাকায় পুলিশের ওপর অনেকগুলো বোমা ছোড়া হয়৷ পুলিশও ব্যাপক লাঠিচার্জ করে, কয়েকশ’ রাউন্ড টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে৷ সারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে৷ সংঘর্ষে সারা দেশে পুলিশসহ আহত হয়েছে দুই শতাধিক মানুষ৷ আটক করা হয় শতাধিক পিকেটারকে৷
তবে সকালে এক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শেষে পুলিশের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এলাকা বিকাল ৩টা পর্যন্ত দখল করে রেখেছিল মহাজোটের নেতাকর্মীরা৷ এরপর তারা মাঠ ছেড়ে চলে যায়৷
রাজধানীসহ সারা দেশেই শহরের ভেতরে প্রচুর সংখ্যক যানবাহন চলাচল করে৷ দুপুরের পর সামগ্রিক যান চলাচল পরিস্থিতি স্বাভাবিকের কাছাকাছি চলে আসে৷ অনেক জায়গায় রীতিমতো যানবাহনের জটলা দেখা গেছে এবং জটলা সামলাতে পুলিশকে তত্পর হতে হয়েছে৷ ট্রেন চলাচলও ছিল স্বাভাবিক৷
তবে রাজধানীর কোনো বাস টার্মিনাল থেকেই দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি৷ ফলে সারা দেশের সঙ্গে রাজধানী কার্যত বিচ্ছিন্ন ছিল৷ দেশের অন্যান্য জেলাতেও আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ ছিল৷ অবরোধ কর্মসূচির প্রথম দিনের মতো গতকালও সেনা সদস্যদের তেমন কোনো তত্পরতা ছিল না৷ তারা রাস্তায় টহল দেয়৷ তবে মিরপুরে তারা একটি মিছিলে বাধা দেয়৷ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার মূল দায়িত্বে ছিল র‌্যাব ও পুলিশ৷ পুলিশ হার্ডলাইনে থাকার কারণে পঞ্চম দফা অবরোধ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন হাতেগোনা কয়েকটি স্পটে সঙ্কুচিত ছিল অবরোধকারীদের কর্মকাণ্ড৷ রাত ৮টার দিকে অবরোধকারীরা মিরপুর পুরবী সিনেমা হলের সামনে একটি ট্যাক্সিক্যাবে ও মিরপুর সাড়ে ১১ নাম্বার বাস স্ট্যান্ডে একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়৷
মুক্তাঙ্গন-বঙ্গবন্ধু এভিনিউ
রবিবার রাতেই গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজারের সামনে ও জিরো পয়েন্টে দুই স্তরের কাটাতারের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়া হয়৷ গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অবরোধের সমর্থনে মহাজোটের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করে৷ মিছিলটি পুলিশি বাধার সম্মুখীন হলে অবরোধকারীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে৷ দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে৷ অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে৷ পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে আশ্রয় নেয়৷ এরপর পরিস্থিতি শান্ত হলে নেতাকর্মীরা ফের কাটাতারের বেড়ার ভেতর মিছিল-সমাবেশ শুরু করে৷
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অবরোধকারীদের সংখ্যাও বাড়তে থাকে৷ পরিস্থিতি হয়ে ওঠে উত্তপ্ত৷ বেলা ১২টার দিকে পুলিশের উচ্চপর্যায় থেকে অ্যাকশনে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়৷ ঘটনাস্থলে যান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের জয়েন্ট কমিশনার শহীদুল ইসলামসহ ক্রাইম ডিভিশনগুলোর বেশ কয়েকজন ডেপুটি কমিশনার৷ জিরো পয়েন্ট রণসাজে অবস্থান নেয় জলকামান ও রায়টকার৷ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এলাকায় বাড়ানো হয় পুলিশি শক্তি৷ মোট ৭০ প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন করা হয় সেখানে৷
ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওয়্যারলেস ও মোবাইল ফোন ঘনঘন বেজে ওঠে৷ নির্দেশ আসে অ্যাকশনে যাওয়ার৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতারা পুলিশের সঙ্গে সমঝোতা করে অবরোধ কর্মসূচি সঙ্কুচিত করে৷ বিকাল ৩টার সময় রাস্তা ছেড়ে চলে যাওয়ার শর্তে মহাজোট নেতারা কাটাতারের বেড়ার ভেতর মিছিল-সমাবেশ ও বক্তব্য রাখেন৷
অবরোধ চলাকালে পল্টন, মুক্তাঙ্গনসহ পাশের এলাকায় কোনো পিকেটার ছিল না৷
চকবাজার
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা হাজী সেলিমের নেতৃত্বে পুরনো ঢাকার সোয়ারী ঘাট এলাকা থেকে অবরোধের সমর্থনে একটি বিশাল মিছিল বের হয়৷ মিছিলটি চম্পাতলি, বড় কাটারা হয়ে চকবাজার ডালপট্টি মোড়ে পৌছলে পুলিশ পেছন থেকে লাঠিচার্জ ও ধাওয়া করে৷ এ সময় মিছিলকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে৷ বেলা পৌনে ১২টার দিকে চকবাজার, দেবীদাস ঘাট, বড় কাটারা, ছোট কাটারা, সোয়ারী ঘাট, চম্পাতলি, রহমতগঞ্জ ডালপট্টি, ওয়াটার ওয়ার্কস রোড, পোস্তা, চাদনী ঘাট ও চকমোঘলটুলীর গলিতে গলিতে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে৷ এ সময় পিকেটাররা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও বোমা নিক্ষেপ করে৷ পুলিশ টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে পাল্টা জবাব দেয়৷ প্রায় দেড় ঘণ্টা সংঘর্ষ চলার পর টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট সঙ্কটে পড়ে পুলিশ৷ এ সময় অনেক পুলিশ সদস্যই পিকেটারদের কাছে অসহায় হয়ে পড়ে৷ তারা পিকেটারদের শান্ত হতে বলে৷ এর কিছুক্ষণ পর টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট সরবরাহ পেয়ে পুলিশ ফের মারমুখী হয়ে ওঠে৷ দু’পক্ষের মধ্যে প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী থেমে থেমে সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত ১০ পুলিশ সদস্যসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়৷ এখান থেকে গ্রেফতার করা হয় ৩৫ জনকে৷ আহত পুলিশ সদস্য সুবেদার হাসিনুর রহমান, হাবিলদার নাজমুল, কনস্টেবল মাসুম, সুবেদার জালাল, সুবেদার মোজাম্মেলকে রাজারবাগ পুলিশলাইন হাসপাতালে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে৷
এদিকে দুপুর ১২টার দিকে ছিন্নমূল হকার্স লীগের কেন্দ্রীয় নেতা মন্টুর নেতৃত্বে নয়াবাজার এলাকা থেকে একটি মিছিল বের হয়৷ মিছিলটি বাবুবাজার বৃজের সামনে পৌছলে পুলিশ বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে৷ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে৷ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশসহ ২০-২৫ জন আহত হয়৷ এখান থেকে পুলিশ অন্তত ২০ জনকে গ্রেফতার করে৷
মালিবাগ মোড়
অবরোধের দ্বিতীয় দিনে মালিবাগ মোড়ে পিকেটার ও পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে৷ লাঠিচার্জ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ আর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রায় দু’ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে মালিবাগসহ আশপাশের এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়৷ সংঘর্ষে পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়৷ গুরুতর আহত পুলিশের এএসআই আবদুল হাইকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়৷ এখান থেকে পুলিশ ১০ জন পিকেটারকে গ্রেফতার করে৷ জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি মিছিল মালিবাগ মোড়ে এসে হোসাফ টাওয়ারের সামনে জমায়েত হয়ে সমাবেশ করার চেষ্টা করে৷ পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের ওই স্থানে সমাবেশ না করে চলে যেতে বলে ৷ কিন্তু মিছিলকারীরা যেতে না চাইলে এক পর্যায়ে পুলিশ মিছিলকারীদের ওপর হামলা চালায়৷ এতে মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে বিভিন্ন গলিতে আশ্রয় নেয়৷ গলির ভেতর পিকেটাররা একত্রিত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে বৃষ্টির মতো ইট ছুড়তে থাকে৷ পুলিশও পাল্টা টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে৷ মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে৷ পথচারীরা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে৷ পিকেটাররা গলির সামনে টায়ারে আগুন লাগিয়ে দেয়৷ পরে দমকল বাহিনী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে৷ দফায় দফায় পুলিশ ও পিকেটারদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা দাওয়া চলতে থাকে৷ প্রথমে পুলিশের সংখ্যা কম থাকায় পিকেটারদের ধাওয়া খেয়ে পুলিশ পিছু হটতে বাধ্য হয়৷ ঘণ্টাখানেক পর অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের সঙ্গে যোগ দেয়৷ এরপর একসঙ্গে পুলিশ পিকেটারদের ধাওয়া করে৷ কিন্তু পিকেটাররা গলির ভেতর অবস্থান নেয়ায় পুলিশ বেশি সুবিধা করতে পারেনি৷ তাই বারবার পুলিশকে পিছু হটতে দেখা গেছে৷ পিকেটারদের ইটের আঘাতে পুলিশ কনস্টেবল ফয়জুর রহমানের ডান হাতের একটি অংশ কেটে যায়৷ কয়েকবার ধাওয়া দিয়ে গলির ভেতর থেকে পুলিশ তানজিল, মাসুদ, আবু হোসেন, তোতা মিয়া তুহিন, জাহিদসহ প্রায় ৮-১০ জন পিকেটারদের ধরে ফেলে৷ তাদের ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশের গাড়িতে উঠিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়৷
এদিকে সকালে এলডিপির মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে অবরোধের সমর্থনে একটি মিছিল বের হয়৷ চেয়ারম্যান গলি থেকে মিছিল সামনে এগিয়ে প্রধান সড়কে উঠার মুখে পুলিশ মিছিলকারীদরে ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে৷ এক পর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে৷
রাসেল স্কয়ার
গতকাল অবরোধ চলাকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকা দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ৷ প্রচুর রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার পাশাপাশি গতকাল এ এলাকায় প্রাইভেট কার এবং মিনিবাস ও দোতলা বাস চলাচল করতে দেখা গেছে৷ রাসেল স্কয়ার ছাড়া গাবতলী থেকে কলাবাগান পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও মিছিল বা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়নি৷
বেলা সোয়া ১১টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বে একটি মিছিল রাসেল স্কয়ারে আসে৷ এ সময় দু’জন আওয়ামী লীগ কর্মীকে পুলিশ আটক করার উদ্যোগ নিলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং পুলিশ ও মিছিলকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে৷ এরপর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সেখানে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করে৷
যাত্রাবাড়ী/সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ড
মহাজোটের ডাকা তিনদিনের অবরোধের দ্বিতীয় দিন ছিল অনেকটা শান্তিপূর্ণ৷ গতকালও রাস্তায় মিছিল বা পিকেটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি৷ সকালে যাত্রাবাড়ী থেকে আওয়ামী লীগের একটি মিছিল প্রধান সড়কে বের হওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু পুলিশ তাতে বাধা দেয়৷ গতকালও পুলিশ ছিল অনেকটা আক্রমণাত্মক ভূমিকায়৷ সায়েদাবাদ যাত্রাবাড়ী বা এর আশপাশের এলাকায় মহাজোটের নেতাকর্মীদের কোনো মিছিল করতে দেয়নি পুলিশ৷
সকাল থেকে অফিসগামী মানুষ গন্তব্যে পৌছেছে রিকশা করে৷ তবে যাত্রাবাড়ী সায়েদাবাদে বেশকিছু বাস চলাচল করতে দেখা যায়৷ যাত্রাবাড়ী থেকে টিকাটুলী মোড় পর্যন্ত কয়েকবার সেনাবাহিনীকে টহল দিতে দেখা যায়৷ এসব রাস্তায় প্রচুর রিকশার পাশাপাশি ম্যাক্সি ও টেম্পো চলাচল করে৷ গতকাল আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান মোল্লা ও তার সমর্থকদের অবরোধে দেখা যায়নি৷ মীরহাজিরবাগে মহাজোট নেতা আবু হোসেন বাবলা মিছিল বের করার চেষ্টা করলেও পুলিশি বাধায় তা সম্ভব হয়নি৷ এসব এলাকায় কোনো নেতাকর্মীকে মিছিল নিয়ে প্রধান সড়কে বের হতে দেয়নি পুলিশ৷ গতকালও সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে দূরপাল্লার কোনো গাড়ি ছেড়ে যায়নি৷ এছাড়া ঢাকার বাইরে থেকেও কোনো গাড়ি সায়েদাবাদ আসেনি৷ যাত্রাবাড়ী মোড়, সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ডে সকাল থেকে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল৷
সূত্রঃ http://www.jaijaidin.com/view_news.php?News-ID=25342&issue=187&nav_id=1

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: