শীতে আরো ১০ জনের মৃত্যু ১৪ ঘণ্টা প্লেন ওঠানামা বন্ধ ছিল

কয়েকদিন ধরে কুয়াশায় ঢাকা রয়েছে সারা দেশ৷ তবে শৈত্যপ্রবাহ কিছুটা কমে গেছে৷ কুয়াশার কারণে ১৪ ঘণ্টা ঢাকার জিয়া আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে ওঠানামা করতে পারেনি কোনো ফ্লাইট৷ রবিবার শেষ রাত থেকে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বিলম্বিত হয়৷
জনজীবনে দুর্ভোগ কমেনি৷ আগামী দু’একদিনের মধ্যে দেশের দক্ষিণ-উত্তরাঞ্চলে দেখা দিতে পারে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ৷ সে ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও নেমে যেতে পারে৷
শীতে সারা দেশে আরো ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে৷ এর মধ্যে ঈশ্বরদীতে চারজন, বাগেরহাটে চারজন ও নীলফামারীতে দু’জন মারা গেছে বলে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন৷ এদিকে গতকাল সিলেট রেল স্টেশনে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে এসিড সন্ত্রাস নির্মূল কমিটি৷
গতকাল সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ঈশ্বরদীতে৷ সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ এদিকে সারা দেশে গড়ে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়লেও ঘন কুয়াশায় বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা৷ রবিবার রাত থেকে গতকাল সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত টানা ১৪ ঘণ্টা জিয়া আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে ওঠানামা করতে পারেনি কোনো ফ্লাইট৷ ঘন কুয়াশার কারণে বিভিন্ন ফ্লাইটকে কলকাতা অথবা ব্যাংকক এয়ারপোর্টে অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল৷ পরে সকালে তা ঢাকায় অবতরণ করে৷ আকাশপথের পাশাপাশি সড়ক ও নৌপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে কুয়াশার কারণে৷ বিশেষ প্রচেষ্টা হিসেবে হেডলাইট জ্বালিয়ে বেশি দূর দেখা যায়নি৷ আগামী কয়েকদিনে কুয়াশা বাড়ার পাশাপাশি তাপমাত্রা আরো কমে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়াবিদরা৷
আবহাওয়া অফিস জানায়, গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ২৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ দেশের অন্যান্য স্থানের মধ্যে খুলনায় ১২ দশমিক ২, বরিশালে ১১ দশমিক ৫, রাজশাহীতে ৭ দশমিক ৮, চট্টগ্রামে ১৩ দশমিক ৯ এবং সিলেট বিভাগে ১৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে৷
আবহাওয়াবিদরা বলছেন- রাজশাহী, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে৷ তবে দু’একদিনের মধ্যে উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আসবে৷ কুয়াশার প্রকোপ ও হিমেল হাওয়া সারা মাসই থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ শেষ রাতে নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা থাকতে পারে৷
এদিকে শীতজনিত কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেড়েছে রোগের প্রকোপ৷ তাতে প্রায় প্রতিদিনই প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে৷ একই সঙ্গে রয়েছে শীতবস্ত্রের সঙ্কট৷ শীতপীড়িত এলাকায় পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ না হওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষ পড়েছেন বিপাকে৷ শীত বাড়ার কারণে কৃষিকাজ ও পোলটৃ খামারেও বিরূপ প্রভাব পড়েছে৷
সূত্রঃ http://www.jaijaidin.com/view_news.php?News-ID=25352&issue=187&nav_id=1

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: