শ্রদ্ধা ভালোবাসায় বিদায় ওয়াহিদুল হক

অশ্রুসিক্ত নয়নে ফুলেল ভালোবাসায় জাতি শেষ শ্রদ্ধা জানালো বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ, রবীন্দ্র গবেষক ও শিল্পী, লেখক-সাংবাদিক, ছায়ানটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধকালীন ‘স্বাধীন বাংলা শিল্পী সংস্থা’র প্রধান উদ্যোক্তা ওয়াহিদুল হককে। শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি, রাজনীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক পেশার শীর্ষ স্থানীয় সর্বসত্দরের নারী-পুর\”ষ পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় চোখের জলে বিদায় জানালেন তাদের এক পরম প্রিয়জনকে। গতকাল রোববার শিল্পীর প্রিয় প্রতিষ্ঠান ছায়ানট, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং জাতীয় প্রেসক্লাবে সর্বসত্দরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শিল্পী ওয়াহিদুল হকের মরদেহ আবার বারডেমের মরিচুয়ারিতে নিয়ে রেখে দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বসত্দরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অফ অনার প্রদান করে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদর্শনের মাধ্যমে জাতির পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানায় মুক্তিযোদ্ধা শিল্পী ওয়াহিদুল হককে। শিল্পীর বিদেশে অবস্থানরত কিছু নিকটাত্মীয় দেশে এসে পেঁৗছলে পারিবারিক সিদ্ধানত্দের পরিপ্রেক্ষিতে সকল ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে এই মহান শিল্পীকে।
ছায়ানটে মানুষের ঢল : ফুল আর চোখের জলে শেষ শ্রদ্ধা
শনিবার বিকাল ৫টায় বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শিল্পী ওয়াহিদুল হক। সেদিন রাতে তার মরদেহ রাখা হয় বারডেমের হিমাগারে। গতকাল সকাল সোয়া ৯টায় হাসপাতাল থেকে
মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় শিল্পীর নিজসৃষ্ট প্রিয় স্থান ‘ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনে’। লাল সিরামিক ইটে নির্মিত ছায়ানট ভবনে সেই ভোর থেকে তাকে শেষবারের মতো দেখার জন্য অপেক্ষা করছিল তার পরিবার, আত্মীয়-পরিজন, স্বজন, প্রিয় ছাত্রছাত্রী, ভক্ত-অনুরাগীসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় কবি, লেখক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ। ছায়ানটে শত শত মানুষের ঢল নামে। সকাল সোয়া ৯টায় ছায়ানট প্রাঙ্গণে শিল্পীর দেহ পেঁৗছলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। ছায়ানটের শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুরের মূর্ছনা আর তার স্বজনদের কান্নার রোলে এসময় সকলের চোখ জলে ভরে ওঠে। লাল-সবুজে আকা জাতীয় পতাকায় ঢেকে শিল্পীর কফিন রাখা হয়েছিল ছায়ানটে ঢোকার মুখের প্রথম র\”মটিতে। প্রিয়জনদের শেষবার দেখার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল মুখমণ্ডল। ভক্ত আর অনুরাগীদের ফুলে ফুলে ভালোবাসায় শায়িত হয়ে আছেন এই মহৎ ব্যক্তি। তার ৮০ বছরের বৃদ্ধা ফুফু হামিদা খাতুন কফিনের পাশে বসে অবিরাম দোয়া-কালাম পড়ছেন । আর ফুলের সত্দবক হাতে সুশৃঙ্খল সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে একে একে আগত সবাই শিল্পীকে শেষবারের মতো অর্পণ করছেন তাদের হৃদয়ের অর্ঘ্য। কেউ কেউ শোক বইয়ে লিখছেন প্রিয়জনকে হারানোর বেদনার কথা। ভোর থেকেই ছায়ানটের শিল্পীরা বিরামহীনভাবে গেয়ে যেতে থাকেন পূর্ণ কর পূর্ণ কর হে ভগবান/ আমার বিদায়ের সেইক্ষণে/ যে ডাকে তুমি এলে/ আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে, এ জীবন পূূর্ণ কর, এ জীবন পূর্ণ করসহ বিভিন্ন রবীন্দ্রসঙ্গীত। আবৃত্তি শিল্পীরা আবৃত্তি করতে থাকেন বিশ্ব কবির কবিতা। এসময় শোক সঙ্গীতের কর\”ণ সুর আর কবিতার বেদনাবিধুর আবেদনে পরিবেশ আরো শোকাবহ হয়ে ওঠে। কবিতা আর সঙ্গীতের মূর্ছনায় এসময় একে একে ফুলের সত্দবক দিয়ে এই প্রিয় শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানায় বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, চট্টগ্রাম রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিষদ, বর্ষ বিদায় ও বর্ষ বরণ সম্মিলন পরিষদ, গীতসুধা, কণ্ঠশীলন, থিয়েটার ও ছায়ানট , বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মফিদুল হক, প্রতীতি দেবী, আরমা দত্ত, ড. আতিউর রহমান, নাট্যকার সাইদ আহমেদ, সুলতানা কামাল, সবির চৌধুরী, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, মালেকা আজিম খান, সেলিনা মালেক, লুভা নাহিদ চৌধুরী, আবুল হাসনাত, ডা. সারওয়ার আলী, মাহবুব-উল আলম চৌধুরী, আসাদুজ্জামান নূর, ডা. মাগদুমা নার্গিস, শাকিল আনাম, শাহিন রেজা নূর, সাদিয়া আফরিন মলি্লক, মিতা হক, শিরিন আখতার, ইফফাত আরা দেওয়ান, শিল্পী ইমদাদ হোসেন, কাজি মদিনা প্রমুখ। সবশেষে ছায়ানটের অধ্যক্ষা বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সন্জীদা খাতুন ও শিল্পীর পরিবারের সদস্যসহ ছায়ানটের শিল্পীরা পুষ্পসত্দবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সর্বসত্দরের জনগণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সোয়া ১১টায় শিল্পীর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্দেশে।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার : রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধা নিবেদন
সকাল ১১টা থেকেই প্রিয় ব্যক্তিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসতে থাকেন অগণিত মানুষ। সাড়ে ১১টায় শিল্পীর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে পেঁৗছলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হয়ে উঠেছিল সর্বসত্দরের মানুষের গনত্দব্য। প্রিয় ব্যক্তিত্বকে একনজর দেখতে এবং শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাতে ছুটে আসেন কবি, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, ছাত্রসহ সর্বসত্দরের মানুষ। এখানে আরো একবার সর্বসত্দরের হাজারো মানুষের ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায়, ফুলে আর চোখের জলে সিক্ত হলেন প্রিয় ওয়াহিদুল হক। সাড়ে ১১টায় মরদেহ শহীদ মিনারে এলে প্রথমেই সরকারের পক্ষ থেকে ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গাজী উদ্দিন মোহাম্মদ মনিরের নেতৃত্বে প্রিয় ওয়াহিদুল হককে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়। এ সময় তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বিউগলে বাজানো হয় কর\”ণ সুর। জাতীয় পতাকা দিয়ে ঢেকে রাখা হয় তার মরদেহ। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের পক্ষ থেকেও তাকে গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়।
এরপর সুশৃঙ্খলভাবে দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে প্রিয় ব্যক্তিকে ফুল আর চোখের জলের মাধ্যমে শেষ শ্রদ্ধা জানান সর্বসত্দরের মানুষ।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মহৎ ব্যক্তিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন ভাষাসৈনিক কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী, হুইল চেয়ারে চড়ে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে এসেছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ নির্মল সেন। শ্রদ্ধা জানান অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, শিল্পী মুসত্দফা মনোয়ার, শিল্পী হাশেম খান, সাংবাদিক কামাল লোহানী, শিল্পী কলিম শরাফী, অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, আসাদুজ্জামান নূর, অধ্যাপক মনসুর মুসা, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, শিল্পী সুবীর নন্দী, নাট্যব্যক্তিত্ব আলী যাকের, সারা যাকের, ম. হামিদ, সাংবাদিক বজলুর রহমান, এডভোকেট সুলতানা কামাল, সাংবাদিক আবেদ খান, শিল্পী ফকির আলমগীর, শিল্পী রফিকুন্নবী, ইফফাত আরা দেওয়ান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কদ্দুস, উদীচীর সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ সেলিমসহ দেশের বিশিষ্ট জনগণ, হাজারো সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান প্রিয় ওয়াহিদুল হককে।
দেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও প্রিয় ব্যক্তিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন ।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসেছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ ছাড়া দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক সচিব সাবের হোসেন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক নুর\”ল ইসলাম নাহিদ।
গণফোরামের পক্ষে ড. কামাল হোসেন, মোসত্দফা মোহসিন মন্টু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) পক্ষে হাসানুল হক ইনু, শিরিন আক্তার, ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষে রাশেদ খান মেনন, কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষে মঞ্জুর\”ল আহসান খান ও মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের পক্ষে ডা. অসিত বরণ রায়, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পক্ষে ড. সারওয়ার আলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষে পঙ্কজ দেবনাথ শেষ শ্রদ্ধা জানান।
এছাড়া বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, খেলাঘর, কর্মজীবী নারী, নিজেরা করি, মোমতাজ আলী খান সঙ্গীত একাডেমী, উদয়ন সঙ্গীত বিদ্যালয়, পাক্ষিক অনন্যা, সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন, জাতীয় বসনত্দ উদযাপন পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, বহ্নিশিখা, গীতাঞ্জলি, আইন ও সালিশ কেন্দ্র, নাগরিক নাট্য সমপ্রদায়, স্বনন, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন প্রিয় ওয়াহিদুল হকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানায়।
জাতীয় প্রেসক্লাব : সাংবাদিকদের ভালোবাসা
প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বসত্দরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বেলা দেড়টায় তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় জাতীয় প্রেসক্লাবে। সেখানে অশ্র\”সিক্ত শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিকরা। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও এ সময় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, জাতীয় প্রেসক্লাব কর্মচারী ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে এখানে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রিয় ব্যক্তিত্বকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন সাংবাদিক এ বি এম মূসা, তোয়াব খান, আতাউস সামাদ, ইকবাল সোবহান চৌধুরী, গিয়াস কামাল চৌধুরী, রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, বোরহান আহমেদ, মঞ্জুর\”ল আহসান বুলবুল, ফরিদ হোসেন, আলী হাবিব, আবদুল জলিল ভুইয়াসহ দেশের প্রবীণ ও নবীন সাংবাদিকরা। এসেছিলেন বিএনপির মহাসচিব আবদুল মান্নান ভুঁইয়া, সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান প্রমুখ।
জাতীয় প্রেসক্লাবে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর পর ১টা ৫৫ মিনিটে সবার প্রিয় ওয়াহিদুল হকের মরদেহ আবার নিয়ে যাওয়া হয় বারডেম হাসপাতালের মরদেহ সংরক্ষণ কেন্দ্রে। শিল্পীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় বিদেশে অবস্থানরত শিল্পীর আত্মীয়দের জন্য অপেক্ষা করা হবে। তারা দেশে এসে পেঁৗছলে পারিবারিক সিদ্ধানত্দের পরিপ্রেক্ষিতে সকল ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন এই মহান শিল্পী।
সূত্রঃ http://bhorerkagoj.net/online/news.php?id=38786&sys=1

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: