৫ বছরে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা লোপাট

গত পাঁচ বছরে ভিওআইপি ব্যবসার নামে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, স্পেন, সিঙ্গাপুর, জাপানসহ এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার ১০টি আন-র্জাতিক টেলি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে টিএন্ডটি এবং সাবেক জোট সরকারের একটি শক্তিশালী চক্রের যোগসাজশে এ লুটপাট চালানো হয়। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সাবেক জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, হাওয়া ভবন, অর্থ মন্ত্রণালয়, টিএন্ডটি মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, টিএন্ডটি বোর্ডের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্য, বিটিটিবির কয়েকজন প্রকৌশলী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছিলেন ওই সিন্ডিকেটের মূল নিয়ন্ত্রক। অভিযোগ রয়েছে, বিটিআরসির চেয়ারম্যান ওমর ফার”ক এ টেলি সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা। এই চক্র বেসরকারি খাতে ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) সুবিধা বৈধভাবে উন্মুক্ত না করে নিজেদের তৈরি করা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারের এই সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আ্তসাৎ করেছে এবং এখনও রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। আন-র্জাতিক টেলিফোন কল চোরাই চক্র যারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভিওআইপি ব্যবসা শুর” করে টিএন্ডটিকে ধ্বংস করার চক্রানে- নেমেছিল তারা এখন আবার দেশীয় চক্রের সহায়তায় টিএন্ডটি থেকে বৈদেশিক কল নেয়ার জন্য লাইন দিয়েছে। এদিকে হঠাৎ ভিওআইপি ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ায় গত এক মাস বাংলাদেশ গোটা দুনিয়া থেকে প্রায় বি”িছন্ন হয়ে পড়েছে। বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশীরা টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগের শিকার হ”েছন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেষ্টা করেও তারা সংযোগ পা”েছন না। সংযোগ পেলেও গুনতে হ”েছ অতিরিক্ত অর্থ।
সম্প্রতি অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের পর সরকার নানা দুর্নীতির তথ্য পেয়েছে। মিলেছে আন-র্জাতিক চক্রের সন্ধান। এই ভয়াবহ অনিয়ম, দুর্নীতি ও আ্তসাতের সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের একটি তালিকাও তৈরি করেছে সরকার। শিগগিরই সিন্ডিকেটভুক্ত টিএন্ডটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও রাঘব বোয়ালদের বির”দ্ধে অভিযান শুর” হবে। এদিকে ভিওআইপি ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই আন-র্জাতিক চক্রটি এবার বৈধভাবে সার্কিট বাড়ানোর জন্য বিটিটিবির সঙ্গে দেনদরবার শুর” করেছে।
সূত্র জানায়, আজ বৈদেশিক কলের বিষয়টি নিয়ে টিএন্ডটির সঙ্গে আন-র্জাতিক টেলিফোন কোম্পানিগুলোর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনি”ছুক টিএন্ডটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, যারা এতদিন ভিওআইপি ব্যবসাকে বৈধতা না দিয়ে সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি করেছে তাদের বির”দ্ধে শিগগিরই অ্যাকশনে যাবে সরকার। এদিকে ভিওআইপির লাইসেন্স সম্পর্কে সিদ্ধান- নিতে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে তারা তাদের সুপারিশ সংবলিত রিপোর্ট প্রদান করবেন। সে আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উন্নত প্রযুক্তির বিশেষ ডিভাইসের মাধ্যমে দেশী-বিদেশী চক্রটি গত ৭ বছর ধরে চোরাই টেলিফোনের মাধ্যমে সব ধরনের বৈদেশিক কল নিয়ন্ত্রণ করত। আর এর ফলে বৈদেশিক কল খাত থেকে রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে টেলিগ্রাম এন্ড টেলিফোন বোর্ড (টিএন্ডটি) বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়। সূত্র জানায়, টিএন্ডটির টপ টু বটম জানত কোথায় কারা এই ভিওআইপি ব্যবসা করছে। কাদের মাধ্যমে দেশের ছোট ছোট ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান বিদেশে কল পাঠাত কিংবা বিদেশী কল রিসিভ করত। কিন’ প্রতি মাসে প্রায় ৬১ কোটি টাকা আ্তসাতের জন্য তারা এটা বন্ধ করেনি, বরং তাদের উৎসাহ দিয়েছে। অপরদিকে এই অবৈধ ব্যবসা বন্ধ করার জন্য টিএন্ডটির সঙ্গে চুক্তিভুক্ত কয়েকটি বিদেশী কোম্পানি সাবেক সরকার ও বিটিআরসির কাছে একাধিকবার চিঠি দেয়ার পাশাপাশি এই অবৈধ ব্যবসার কারণে সরকার প্রতি মাসে কত টাকার রাজস্ব হারা”েছ তা হাতে-কলমে বুঝিয়ে দিলেও শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণে এ ব্যবসা বন্ধ করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ পর্যন- ২০ থেকে ২৫ হাজার ভিওআইপি লাইন কেটেছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী দেশে আরও সমপরিমাণ লাইন রয়েছে। চক্রটি এখন টিএন্ডটি সংযোগ সুবিধা আছে এরকম কয়েকটি বেসরকারি ল্যান্ডফোন ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যা”েছ।
ভিওআইপি ব্যবসায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ
ভিওআইপির মাধ্যমে কল টার্মিনেশন ও অরিজিনেশনের জন্য টিএন্ডটি ক্ষতিগ্রস- হয়ে আসছে ১৯৯৯ সাল থেকে। কিন’ ২০০১ সাল থেকে এই ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ হয়ে দাঁড়ায়। সূত্র মতে, ভিওআইপির মাধ্যমে প্রতি মাসে গড়ে ১১০ মিলিয়ন মিনিট বৈদেশিক কল হতো। যদি টিএন্ডটির মাধ্যমে এই কল হতো সে ক্ষেত্রে টিএন্ডটি প্রতি মাসে আয় করত ৬১ কোটি টাকা। বছরে পেত ৭৩২ কোটি টাকা। এই হিসাবে গত ৭ বছরে সরকার রাজস্ব হারিয়েছে ৩ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা।
ভিওআইপি ব্যবসায়ী সূত্র জানায়, প্রতি মিনিট কলের জন্য তারা আন-র্জাতিক যেসব কোম্পানির মাধ্যমে কল পাঠাত তাদের দিত তিন ভাগের এক ভাগ টাকা। বাকি টাকা টিএন্ডটির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, কয়েকজন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর একজন ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সচিব ও হাওয়া ভবনের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা হতো। ২০০৩ সালে বিশ্বব্যাংকের এক জরিপে অবৈধভাবে ভিওআইপির কারণে টিএন্ডটি বোর্ডের বৈদেশিক কলের ক্ষেত্রে রাজস্ব আয় কমে যাওয়ার উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করা হয়। সে সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কলচার্জ কমিয়ে দিয়েও তেমন সুফল পাওয়া যায়নি। ইনকামিং কল কিছুটা বাড়লেও আউটগোয়িং কল কমে গিয়েছিল উদ্বেগজনক হারে। তখন টিএন্ডটি বোর্ডের প্রতি বিভিন্ন সেক্টর থেকে ভিওআইপি ব্যবসাকে বেসরকারি খাতে বৈধভাবে উন্মুক্ত করে দিয়ে এই ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য বারবার চাপ সৃষ্টি করলেও শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণে তা সম্ভব হয়নি।
সাধারণত ডিজিটাল ল্যান্ডফোন থেকে যেভাবে আইএসডি ফোন করা হয়, ভিওআইপির ক্ষেত্রে শুধু একটি ডিভাইস ব্যবহার করে ঠিক একইভাবে ফোন করা যায়। সাড়ে ৩ ইঞ্চি লম্বা ও প্রায় ৪ ইঞ্চি ব্যাসের আলোচিত ডিভাইসগুলোর দুই প্রানে- সংযুক্ত ক্যাবলের একটি প্রান- টেলিফোন সেটে ও অন্য প্রান-টি টিএন্ডটির ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত করে দিলেই সাধারণ ফোন লাইন আইএসডি ফোন লাইনে রূপান-রিত হয়। এরপর লোকাল কলের খরচে দেদারসে বিদেশে ফোন করা যায়।
যেভাবে ভিওআইপি ব্যবসার উত্থান
জানা গেছে, ইউরোপ, আমেরিকার ১০টি আন-র্জাতিক টেলিফোন কোম্পানির সহায়তায় একটি আন-র্জাতিক চক্র টিএন্ডটি ও সাবেক সরকারের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের সহায়তায় বাংলাদেশে ভিওআইপি ব্যবসার পত্তন ঘটায়। বিটিটিবি বৈদেশিক কল আনানেয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রায় ১৫টি দেশের ২০টি টেলিফোন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তি অনুযায়ী এসব কোম্পানি প্রতি মিনিট ওয়েভ ট্রাফিকের জন্য টিএন্ডটিকে দিত গড়ে ৮ সেন্ট অর্থাৎ ৫ টাকা ৬০ পয়সা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই রেট ছিল ১৪ দশমিক ২ সেন্ট। মূলত ১৯৯৯ সাল থেকে কয়েকটি আন-র্জাতিক কোম্পানির মাধ্যমে একটি বিদেশী চক্র বাংলাদেশে এসে টিএন্ডটি ও দেশীয় একটি চক্রের সহায়তায় ভিওআইপির মাধ্যমে বৈদেশিক কল চুরি করা শুর” করে। চক্রটি প্রথমে বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও কমার্শিয়াল স্পেসে ২০-২৫টি টিএন্ডটি লাইন দিয়ে ছোট আকারের ভি-স্যাট ও গেটওয়ে স্থাপন করে। পরবর্তী সময়ে আইএসপি (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার) গেটওয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক কলগুলো আন-র্জাতিক টেলিফোন কোম্পানির মাধ্যমে লোকাল কল বানিয়ে রাজধানী ও আশপাশের গ্রাহকদের পৌঁছে দিত। এ ক্ষেত্রে আইএসপি কোম্পানিগুলোকে দেয়া লাগত মাত্র ১ থেকে দেড় সেন্ট। তারা লাভ করত সাড়ে ৬ সেন্ট। সে কারণে চুক্তি করেও অনেক বিদেশী টেলিফোন কোম্পানি টিএন্ডটি থেকে কল না নিয়ে আইএসপিদের কাছ থেকে কল নেয়া শুর” করে।
জানা গেছে, ১৯৯৯ সালের আগ পর্যন- বিদেশী কোম্পানিগুলো টিএন্ডটি থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ মিলিয়ন মিনিট (ওয়েভ ট্রাফিক) কল গ্রহণ করলেও ২০০১ সাল থেকে মাত্র ৩টি কোম্পানি মাসে গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার মিনিট কল নিত। কিন’ প্রতি মিনিট ৮ সেন্ট হারে কল নিতে গিয়ে লোকসানে পড়ে ওই তিনটি কোম্পানি। একপর্যায়ে কল নেয়া বন্ধ করে দেবে এ মর্মে টিএন্ডটিকে চিঠি দেয়। বাধ্য হয়ে টিএন্ডটি ভিওআইপি বন্ধ করে এবং কল রেট কমিয়ে দিয়ে তাদের লোকসান পুষিয়ে দেয়ার লোভ দেখায়। সূত্র জানায়, টিএন্ডটির বৈদেশিক কল বন্ধ হয়ে গেলে সবকিছু ফাঁস হয়ে যাবে ও দাতাদের চাপের মুখে পড়তে হবে। যার কারণে তিনটি কোম্পানিকে কিছু কল দিয়ে বৈদেশিক কলের একটি চিত্র ফুটিয়ে রাখে। সূত্র আরও জানায়, যেসব আন-র্জাতিক কোম্পানির সঙ্গে বৈদেশিক কল আদান-প্রদানের জন্য টিএন্ডটির সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল সেগুলো হল : আমেরিকার এটিটি, স্পেনের এমসিআই, কানাডার টেলিগ্লোব, যুক্তরাজ্যের ক্যাবল এন্ড ওয়্যারলেস টেলিকম, জাপানের কেডিডি, সিঙ্গাপুরের সিংটেল। তবে এসব কোম্পানির মধ্যে অধিকাংশই ২০০১ সাল থেকে টিএন্ডটির বৈদেশিক কল গ্রহণ বন্ধ করে দেয়। এখন ভিওআইপি ব্যবসা বন্ধ হওয়ার পর ওইসব কোম্পানি আবারও টিএন্ডটি থেকে কল নেয়ার জন্য দেনদরবার শুর” করেছে। আর টিএন্ডটি ও বিটিআরসির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা তাদের সার্কিট দেয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।
জানা গেছে, পিএবিএক্স মেশিনের মতো কল গ্রহণ এবং তা একাধিক লাইনে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম ভি-স্যাট ও গেটওয়ে মেশিন এখন দেশের ছোট-বড় প্রায় সব ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের আছে। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কল প্রেরণকারী বিভিন্ন আন-র্জাতিক খ্যাতনামা টেলিফোন কোম্পানি অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে কল পাওয়ায় টিএন্ডটির পরিবর্তে বেসরকারি আইএসপিকে কল প্রদানে উৎসাহিত করছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঠানো কলের ক্ষেত্রে এ ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটছে। যুক্তরাষ্ট্রের কল প্রদানকারী কোম্পানিগুলোকে মিনিটপ্রতি টিএন্ডটি বোর্ডকে দিতে হতো ১৪ দশমিক ২ সেন্ট। অপরদিকে আইএসপিগুলো ভি-স্যাটের মাধ্যমে কল গ্রহণ করলে মিনিটপ্রতি দিতে হতো দশমিক ২৫ থেকে ৩ দশমিক ৫০ সেন্ট। যার কারণে চুক্তি থাকার পরও যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো টিএন্ডটি থেকে কোন কল নিত না। টিএন্ডটি সূত্র জানায়, টিএন্ডটি বোর্ড ২০০২ অর্থবছরে বৈদেশিক কল গ্রহণসাপেক্ষে ৪শ’ কোটি টাকা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করলেও ভিওআইপির কারণে তা সম্ভব হয়নি। ২০০২ সালের পর থেকে এই হার চার ভাগের এক ভাগে নেমে আসে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে বিটিআরসি চেয়ারম্যান ওমর ফার”কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুগান-রকে বলেন, ভিওআইপি লাইসেন্সের ব্যাপারে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ থাকায় এতদিন কোন সিদ্ধান- নেয়া যায়নি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও হাইকোর্টের রায়ের কারণে কোন সিদ্ধান- নেয়া যায়নি। তখন হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ তুলে নেয়ায় পরবর্তী সিদ্ধান- নেয়ার জন্য বুয়েটের একজন শিক্ষককে প্রধান করে ৬ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি সবকিছু ঠিক করে আগামী ১০ দিনের মধ্যে যে রিপোর্ট প্রদান করবে, সেভাবে সিদ্ধান- নেয়া হবে। তিনি বলেন, ভিওআইপি সিন্ডিকেটের সঙ্গে তার কোন ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। দীর্ঘ ৩৫ বছরের চাকরিজীবনে তিনি কোন অন্যায় করেননি কিংবা কোন অন্যায়কে সমর্থনও করেননি। তিনি আরও বলেন, কোন ভিত্তিহীন কিংবা অনুমানের ওপর রিপোর্ট লেখা ঠিক না। তবে তিনি জানান, গঠিত কমিটির রিপোর্টে কারও বির”দ্ধে যদি কোন অভিযোগ থাকে তবে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি নিজেও কমিটির রিপোর্ট মেনে নেবেন। Source:দৈনিক যুগান্তর
Date:2007-02-11

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: