বড় দলগুলোর গ্রহণযোগ্যদের নিয়ে নতুন দলের প্রার্থী তালিকা হচ্ছে!

বড় দলগুলোর রাজনৈতিক ব্যর্থতা ও অর্থনৈতিক দুর্নীতিকে পুঁজি করে দেশে এবার নতুন শক্তির আবির্ভাব ঘটতে যাচ্ছে। এ নতুন শক্তিকে পরবর্তী সরকার গঠনের মতো সক্ষম করে গড়ে তোলার ব্যবস্থা গ্রহণও শুরু হয়ে গেছে।
সূত্রমতে, আগামীতে একটি শক্তিশালী সরকার গঠনের লক্ষ্যে ৩০০ আসনে অপেক্ষাকৃত গ্রহণযোগ্য প্রার্থীর তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে একটি সংস্থা। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় প্রতিটি আসনেই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতাকে প্রাধান্য দিয়ে একাধিক প্রার্থীর একটি প্যানেল করবে তারা। তালিকায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, এলডিপিসহ বিভিন্ন দলের সাবেক মন্ত্রী-এমপি ও মনোনয়ন বঞ্চিত গ্রহণযোগ্য নেতাদের রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তালিকা চূড়ানত্ম করে ঐ নেতাদের নতুন দলে ভেড়ানোর জন্য নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা হবে। এদের মধ্যে যারা নতুন শক্তির পক্ষে যেতে অপারগতা প্রকাশ এবং বিরোধিতা করবে তাদের ভাগ্যে মামলা ও জেলজুলুম নেমে আসতে পারে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা পরিবর্তনে পেছন থেকে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে একটি অরাজনৈতিক শক্তি। তাদেরকে উৎসাহিত করছে কয়েকটি দাতাদেশ। দাতাগোষ্ঠীর উদ্দেশ্য এদেশের গ্যাসক্ষেত্রের ওপর নিয়ন্ত্রণ, চট্টগ্রাম বন্দরের কর্তৃত্ব নিয়ে নেয়া, এশিয়ান হাইওয়েসহ ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা।
অন্যদিকে বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিএনপিসহ চারদলীয় জোটের অনেক নেতা এ সরকারকে অসাংবিধানিক সরকার বলে আখ্যায়িত করেছে। একাধিক নেতা অফ দ্য রেকর্ড বলেছেন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসলে বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতাগ্রহণের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। এছাড়া ২২ জানুয়ারির নির্বাচনের পূর্বমুহূর্তে রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক হানাহানি ও বিগত সরকারের দুর্নীতির যে বক্তব্য তুলে ধরেছেন, বক্তব্যটি সেই মুহূর্তের জন্য যথাযথ ছিল না। হানাহানি যা হওয়ার তা হয়েছিল ২৭ ও ২৮ অক্টোবর। তাদের মতে, বিষয়টি পরিপূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত। চারদলীয় জোটের এক নেতা বলেন, জরুরি অবস্থা যেদিন প্রত্যাহার হবে সেদিন থেকেই জোট রাজপথের আন্দোলনে নামবে। এদিকে এসব কারণে সরকারের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা কাজ করছে। এছাড়া রাজনীতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনপ্রিয় বক্তব্য ও কিছু কাজের মধ্য দিয়ে শুরু করলেও সরকার এ জনপ্রিয়তা দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারবে বলে মনে করছে না। একারণেই সরকারের ছত্রছায়ায় নতুন রাজনৈতিক শক্তির বিকাশ ঘটিয়ে ১১ জানুয়ারির পরিবর্তনের বৈধতাসহ সংস্কারমূলক বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার ব্যাপারে তারা এখন সক্রিয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের রাজনৈতিক দল করার ঘোষণা এবং খোলা চিঠি এ প্রক্রিয়ার অংশ বলেই মনে করা হচ্ছে। Source:দৈনিক আমাদের সময়
Date:2007-02-14

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: