সুপ্রিমকোর্টে নজিরবিহীন রায় : পরে প্রত্যাহার

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের আয়-ব্যয়ের হিসাবসহ ব্যক্তিগত আটটি তথ্য প্রদান সংক্রান- হাইকোর্টের নির্দেশনা খারিজ করে দিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা পর তা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট। এখন নতুন করে আপিল আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হবে। তবে ড. কামাল হোসেনের পক্ষে জরুরি অবস্থার সময় এর শুনানি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার আবেদন জানানো হয়েছে। আইনজীবীরা বলেছেন, গত ৪৫ বছরের ইতিহাসে সুপ্রিমকোর্টে এটি অভূতপূর্ব ও নজিরবিহীন ঘটনা।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে মামলার মূল বিষয়বস’র শুনানি গ্রহণ ছাড়াই সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ আপিল মঞ্জুর করলে আদালতে নজিরবিহীন এ ঘটনা ঘটে। বাদীপক্ষের কৌঁসুলি ড. কামাল হোসেন এর প্রতিবাদে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে অবস্থান গ্রহণ করে বলেন, ‘আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলেও আমি এখান থেকে যাব না। আমার বক্তব্য শুনতে হবে। পুলিশ কিংবা আইজি এলেও আমাকে এখান থেকে সরাতে পারবে না। আমি আদালত থেকে যাব না।’ পরে এটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ফিদা এম কামালের মধ্যস্থতায় সমঝোতা হলে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ আদালতে বসে অলিখিত রায় প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জেআর মোদাচ্ছির হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় দেন। আপিল বিভাগের বাকি বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি ফজলুল করিম, বিচারপতি আমিরুল কবীর চৌধুরী ও বিচারপতি মোঃ জয়নুল আবেদীন।
সকালে আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আসন গ্রহণ করে চারটি শব্দ উচ্চারণ করে আপিল মঞ্জুর করার ঘোষণা দেন। এর ফলে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত আটটি তথ্য দিতে তারা বাধ্য থাকবেন না। এ রায় ঘোষণার আগেই ড. কামাল হোসেন বলেন, আবু ছাফা আদালতের সঙ্গে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। সন্দ্বীপে তিনি থাকেন না। আট বছর ধরে তিনি সেখানে যান না। স্ত্রী ও ছেলেকে রেখে এসেছেন। তাদের কোন খোঁজখবর নেন না। তিনি আরও বলেন, আবু ছাফা নিজেকে জনদরদী বলে দাবি করেছেন। নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন বলে দাবি করলেও আবু ছাফা প্রার্থী হননি। ড. কামাল মিথ্যা তথ্য দেয়ার জন্য আবু ছাফার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তিনি বলেন, যারা মিথ্যা হলফনামা দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
প্রধান বিচারপতি রায় ঘোষণা করে তিন বিচারপতিসহ চলে যেতে উদ্যত হলে ড. কামাল হোসেন আদালতে বলেন, আদালতের সঙ্গে প্রতারণার আশ্রয় নেয়া হয়েছে। প্রথমে শুধু প্রতারণার কথা বলেছি, মামলার মূল বিষয়বস’ সম্পর্কে এখনও কিছু বলিনি। তাছাড়া জরুরি অবস্থায় মৌলিক অধিকার স্থগিত রাখা হয়েছে। সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ মুহূর্তে মামলা করা যায় না। একথা বলার পর প্রধান বিচারপতিসহ বিচারপতিরা তাদের আসন গ্রহণ করেন। এ সময় ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশে জরুরি অবস্থা চলছে। এই আপিলে মৌলিক অধিকার জড়িত থাকায় আদালত সে সম্পর্কে শুনানি গ্রহণ এবং রায় দিতে পারেন না। একজন অজ্ঞাতকুলশীল ব্যক্তির আবেদনে সুপ্রিমকোর্ট প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাই রায় পুনর্বিবেচনা করুন। এ পর্যায়ে আদালত বলেন, ‘আদেশ দেয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করা ছিল। আদেশ দিয়েছি।’ জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আমার বক্তব্য শেষ না হওয়া পর্যন- আপনারা যেতে পারেন না। শুনানি শেষ করতে দিন।’ আদালত এ সময় উঠে চলে যেতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আপনারা এটা করতে পারেন না। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। প্রতারণার জন্য তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হতে পারে।’ এ সময় আদালত বলেন, ‘নাটক করবেন না (ডোন্ট ক্রিয়েট সিন)’। ড. কামাল হোসেন এ সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং বলেন, ‘এ বিষয়ে শুনানি না হওয়া পর্যন- আমি এখান থেকে যাব না। আমার বক্তব্য শুনতে হবে। পুলিশ এসে আমাকে তুলে নিয়ে যাক। আইজিপি, এটর্নি জেনারেলকে বলুন।’ ড. কামাল হোসেন আরও বলেন, ‘এ রায় দিয়েছেন, এখন আমাকে মৃত্যুদণ্ড দিন। আমার শেষ ইচ্ছা, আমার জানাজায় এই বিচারকরা অংশ নিতে পারবেন না।’ ড. কামাল হোসেন যখন এ ধরনের আবেগময় বক্তৃতা দিচ্ছিলেন ঠিক তখনই প্রধান বিচারপতিসহ চার বিচারপতি তাদের আসন ছেড়ে ভেতরে চলে যান। তখনও ড. কামাল বলছিলেন, ‘আমার বক্তব্য শুনতে হবে। শুনতে হবে। শুনতে হবে।’ ঘড়িতে তখন সকাল ১০টা ১৫ মিনিট।
বিচারপতিরা আদালত কক্ষ ত্যাগ করলেও ড. কামাল হোসেন এজলাসেই অবস্থান গ্রহণ করেন। এ সংবাদ শুনে ছুটে আসেন সাবেক এটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলাম, হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ও ড. এম জহির। এ সময় আদালতে সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুসহ পঞ্চাশ জনের মতো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘সবকিছুর একটা সীমা আছে, বক্তব্য না শুনে আদালত যেতে পারেন না।’ তিনি আরও বলেন, মামলার গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানি হয়েছে। মূল বিষয়বস’র ওপর শুনানি হয়নি। আদালতের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থে মামলার বিষয়বস’র ওপর বক্তব্য শুনতে হবে। কোর্টকে রায় রিভিউ করতে হবে।
এ সময় মামলার বাদী অ্যাডভোকেট মোমেন চৌধুরী আদালত কক্ষে বলেন, প্রার্থীদের আটটি তথ্য দেয়ার বাধ্যবাধকতার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট রায় দিয়েছিলেন। আবু ছাফার পক্ষ থেকে একটি অর্থাৎ শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান- তথ্যটি না দেয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল। অথচ সুপ্রিমকোর্ট পুরো সিদ্ধান-ই স্থগিত করে দিলেন। মামলার অপর বাদী অ্যাডভোকেট কেএম জাবির বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি এর মাধ্যমে ক্ষুণ্ন হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারির পর রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হবে। মামলার অপর বাদী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম এ সময় কোন কথা বলেননি।
বিচারপতিরা এজলাস ত্যাগ করার কিছুক্ষণ পর এটর্নি জেনারেল ফিদা এম কামাল আদালত কক্ষে আসেন। তিনি ড. কামাল হোসেনসহ অন্যদের সঙ্গে আলাপ করেন। ১০টা ৪৫ মিনিটে এটর্নি জেনারেল প্রধান বিচারপতির কক্ষে যান। সেখানে তিনি ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন- প্রধান বিচারপতিসহ অন্য বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা করেন। আলোচনার ফলাফল জানানোর জন্য এটর্নি জেনারেল আবার ড. কামাল হোসেনের কাছে আসেন। এটর্নি জেনারেল রায় প্রত্যাহারের আবেদন জানানোর জন্য ড. কামাল হোসেনকে পরামর্শ দেন। ড. কামাল হোসেন তাৎক্ষণিকভাবে রায় প্রত্যাহারের আবেদন তৈরি করেন। এটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল আবার ১১টা ৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতির কক্ষে যান এবং প্রায় ৪৫ মিনিট আলোচনার পর এজলাসে ফিরে আসেন। বেলা পৌনে ১টায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতি ফের এজলাসে এসে আসন গ্রহণ করেন। এ সময় বিপুলসংখ্যক আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় শুনানিতে অংশ নিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘সংবিধান রক্ষায় প্রয়োজনে আমাকে ফাঁসিতে ঝুলানো হোক। আদালতের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে আদালতকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সংবিধান ও উচ্চ আদালতের সম্মান রক্ষা করতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে যাতে আদালত ও সংবিধানকে কেউ হেয় না করতে পারে। সংবিধান ও উচ্চ আদালত ছাড়া এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এই আপিলের সঙ্গে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রশ্ন জড়িত। এ আপিলে ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ নেই। সমাজের প্রশ্ন জড়িত।’
আদালত এ পর্যায়ে আদেশ দিয়ে বলেন, আদেশ প্রত্যাহারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের অস্বাক্ষরিত আদেশ প্রত্যাহার করা হল।
আদেশ প্রত্যাহারের পর ড. কামাল হোসেন আদালতে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আদালত প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তদন- করে বলেছেন, আপিলকারী আবু ছাফা প্রতারণা করেছেন। তিনি আপিল আবেদনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তি বলে দাবি করেছেন। কিন’ তদন- করে দেখা গেছে, তিনি সন-ান ও স্ত্রীকে রেখে ৬ বছর ধরে পালিয়ে এসেছেন। ছাফা মনোনয়নপত্র কিনেছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। তিনি অষ্টম শ্রেণী পাস বলে তথ্য দিয়েছেন। বলেছেন, এটা প্রচারিত হলে তিনি ভোট কম পাবেন। তিনি আরও বলেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে আপিলের অনুমতি নেয়া হয়েছে। ছুটির দিনে অবকাশকালীন চেম্বার জজের আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নেয়া হয়েছে। প্রাথমিক শুনানি গ্রহণের পর আপিলের অনুমতি বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন’ আদালত আপিল মঞ্জুর করেন। শেষ পর্যন- আদেশ বাতিলের আবেদন জানালে আদালত তাদের স্বাক্ষরহীন আদেশ প্রত্যাহার করে নেন।
অন্যতম রিটকারী অ্যাডভোকেট কেএম জাবির বলেন, রায় প্রত্যাহারের মাধ্যমে বিচার বিভাগের মর্যাদা রক্ষা হয়েছে। এটা করা না হলে আপিলকারীর প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেয়া হতো।
প্রতিক্রিয়া
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সাবেক এটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রফিকুল হক বলেন, তিনি প্রথমে আদালতের রায় শুনে মর্মাহত হয়েছেন। আবু ছাফা একজন প্রতারক ব্যক্তি, তিনি নিজে কোন নির্বাচনে প্রার্থী হননি। অথচ বলেছেন, তিনি প্রার্থী হয়েছেন। শেষ পর্যন- আদালত তার রায় সংশোধন করায় তিনি খুশি হয়েছেন। তিনি বলেন, গত ৩০ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণের মামলায় প্রধান বিচারপতি একই ধরনের আদেশ দিলে খুশি হবেন। কারণ তিনি ওই মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে দিয়েছেন। তিনি স্থগিত না করে আবার মামলাটির কার্যক্রম শুরু করার আদেশ দিতে পারেন।
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ড. কামাল হোসেন ও এটর্নি জেনারেলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার আদালতের মাধ্যমে একটি বিশেষ গোষ্ঠী ছিনতাই করে নিতে চায়। কিন’ সত্যের বিজয় হয়েছে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. এম জহির বলেন, ৪৬ বছরের আইন পেশার জীবনে এমন নজিরবিহীন ও অভূতপূর্ব ঘটনা দেখেননি। সকালবেলা আদেশ দিয়ে দুপুরে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি অভূতপূর্ব।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, এ মামলাটির গুরুত্ব অনেক বেশি। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এ তথ্য দেয়া অত্যন- জরুরি। ড. কামাল হোসেনের বক্তব্য না শুনে একতরফাভাবে রায় দেয়া উচিত হয়নি। তিনি বলেন, সুবিচারের স্বার্থে শেষ পর্যন- আপিল বিভাগ রায় প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এ তথ্য প্রদান প্রয়োজন।
ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক বলেন, সুপ্রিমকোর্টের ক্ষমতা রয়েছে আদেশ প্রত্যাহার করার। তবে আদেশ প্রত্যাহার করার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
মামলার কথা
২০০৫ সালের ২৪ মে অ্যাডভোকেট আবদুল মোমেন চৌধুরীসহ তিন আইনজীবীর দায়ের করা একটি জনস্বার্থ রিট মামলায় হাইকোর্টের বিচারপতি আবদুল মতিন ও এএফএম আবদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনকে প্রার্থীদের কাছ থেকে আয়-ব্যয় ও সম্পদের হিসাবসহ আটটি তথ্য হলফনামার মাধ্যমে প্রদানের নির্দেশ দেন। কিন’ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থেকে প্রার্থী হতে আগ্রহী আবু ছাফা ২০০৫ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের করেন। গত ১৯ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে দেন।
আদালত প্রার্থীর যে আটটি তথ্য প্রদান করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন তা হল- ১. শিক্ষাগত যোগ্যতা- যদি থাকে সেক্ষেত্রে বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদপত্র দিতে হবে, ২. বর্তমানে কোন ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত আছেন কিনা, ৩. প্রার্থী সম্পর্কে ইতিপূর্বে কোন ফৌজদারি মামলা ছিল কিনা এবং যদি থাকে তার ফলাফল, ৪. পেশা/জীবিকা, ৫. আয়ের উৎস, ৬. পূর্বে সংসদ সদস্য ছিলেন কিনা- হয়ে থাকলে এ সময় জনগণকে দেয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অর্জনে ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে কি ভূমিকা পালন করেছেন, ৭. প্রার্থী বা প্রার্থীর পোষ্যদের সম্পদ ও দায়দেনার বিবরণ, ৮. প্রার্থী নিজে ব্যক্তিগত বা যৌথভাবে বা পোষ্যদের নামে ব্যাংক কিংবা অর্থলগ্নিকারী কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কোন ধরনের ঋণ গ্রহণ করেছেন কিনা। করে থাকলে ঋণের পরিমাণ ও প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্য, প্রার্থী কোন কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কিংবা পরিচালক থাকলে ওই কোম্পানির ঋণের পরিমাণ কত? Source:দৈনিক যুগান্তর
Date:2007-02-21

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: