জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের চিন্তা ভাবনা

‘জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল’ গঠনের ব্যাপারে সক্রিয়ভাবে চিন্তা-ভাবনা করছে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। প্রধান উপদেষ্টা তথা সরকার প্রধানের নেতৃত্বে এ ধরনের কাউন্সিল দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরের নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে পর্যালোচনা ও নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। নিরাপত্তা সংক্রানত্ম বিষয়সমূহ সমন্বয়ের জন্যই এ ধরনের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ফোরাম প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। নিরাপত্তা কাউন্সিলের সদস্য থাকবেন ছয়জন। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এ কাউন্সিলে একজন সিনিয়র উপদেষ্টা, তিন বাহিনী প্রধান ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন সিনিয়র আইনজীবী সদস্য থাকবেন বলে জানা যায়। ভারত ও পাকিসত্মানে অনুরূপ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল রয়েছে। সরকার ঐ দু’টি দেশের নিরাপত্তা কাউন্সিলের গঠন কাঠামো খতিয়ে দেখছে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যেও ভিন্ন আঙ্গিকে এ ধরনের নিরাপত্তা কাউন্সিল রয়েছে। সরকার সেগুলোও পর্যালোচনা করছে। বিশিষ্ট আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ডঃ কামাল হোসেন শনিবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে জানান, বাংলাদেশে জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন করা খুবই প্রয়োজন। আরো আগেই দরকার ছিল এ ধরনের কাউন্সিল গঠনের। জাতীয় ও আনত্মর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুগুলো পর্যালোচনা করে থাকে এ কাউন্সিল। গোয়েন্দা সংস্থা, প্রতিরক্ষা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য এ ধরনের কাউন্সিল দরকার। নিরাপত্তা ইস্যু, ভেতরে ও বাইরের সন্ত্রাসী তৎপরতা দমন করা, অপরাধী ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কাউন্সিল কাজ করে থাকে বলে ডঃ কামাল জানান। Source:দৈনিক ইত্তেফাক
Date:2007-03-04

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: