এবার মরিয়ম টাওয়ার, সেরিনা হোটেলসহ বিভিন্ন হাইরাইজ ভবন নিয়ে তদন্ত হচ্ছে

শুধু র‌্যাংগস ভবন নয়, এবার সরকার খোঁজ-খবর নিচ্ছে প্রায় অর্ধশতাধিক হাইরাইজ ভবনের অনুমোদনের বিষয়টি। এসব ভবনের মধ্যে রয়েছে গুলশান লেকের অংশ বিশেষ জুড়ে নির্মিত মরিয়ম টাওয়ার, বনানীতে নির্মিত সেরিনা হোটেল, বনানীর কামাল আতার্তুক এভিনিউ প্রাসাদ সেন্টার, তেজগাঁওয়ের একটি টাওয়ার, গুলশানের রূপায়ণ টাওয়ারসহ বেশ কয়েকটি টাওয়ার ও হাইরাইজ ভবন।

জানা যায়, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এসব হাইরাইজ ভবন কিভাবে নির্মিত হলো, এসব ভবন নির্মাণের ড়্গেত্রে রাজউকের নকশা বিভাগ ও বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কমিটি কিভাবে অনুমোদন দিয়েছে তা খতিয়ে দেখছে। এছাড়া রামপুরা টেলিভিশন ভবনের পাশে এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার অফিস সংলগ্ন এলাকায় কিভাবে হাইরাইজ ভবন নির্মাণের অনুমতি দেয়া হয়েছে তাও অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

এদিকে, অভিযোগ রয়েছে রাজউকের একশ্রেণীর কর্মকর্তা বিভিন্ন সরকারের আমলে মরিয়ম টাওয়ার, সেরিনা হোটেলসহ বেশ কয়েকটি হাইরাইজ ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। এসব ভবনের অনুমোদনের চেয়ে অধিক উচ্চ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এমনকি নকশা বহির্ভূতভাবে এসব ভবনের অংশ বিশেষ নির্মিত হয়েছে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর অফিস সংলগ্ন এলাকা এবং টেলিভিশন ভবনের আশপাশে নিরাপত্তাজনিত কারণে হাইরাইজ ভবন নির্মাণের অনুমতি দেয়া যায় না। এড়্গেত্রে ভবন নির্মাণের ড়্গেত্রে শুধু রাজউকের অনুমোদন যথেষ্ট নয়, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের (কে পি আই) অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু সংশিস্নষ্ট ভবনের মালিকরা এসব নীতির তোয়াক্কা করেনি।

এছাড়াও অন্যান্য হাইরাইজ ভবন নির্মাণের ড়্গেত্রেও নকশা অনুমোদনে অনিয়ম ও নকশা বহির্ভূতভাবে ভবন নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে বলে সূত্র জানায়। Source:দৈনিক ইত্তেফাক
Date:2007-03-15

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: