নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে জনগণকে জানানো উচিত

নির্বাচন কবে নাগাদ অনুষ্ঠিত হবে দেশের জনগণকে তা জানানো উচিত। কারন জরুরি অবস্থা জারির পর দেশবাসীর মনে যেসব প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল সেগুলো এখনো রয়ে গেছে। তাই নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উচিত এ বিষয়ে জনগণকে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া এ বিউটেনিস গতকাল মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এ টি এম শামসুল হুদার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। বৈঠকে অপর দুই কমিশনার মোহাম্মদ ছহুল হোসেইন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) এম সাখাওয়াৎ হোসেন এবং ভারপ্রাপ্ত সচিব মুহাম্মদ হুমায়ূন কবির উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠককালে মার্কিন কূটনীতিক যতো দ্র”ত সম্ভব নির্বাচনী সময়সীমা ঘোষণার জন্য কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান। সিইসির কক্ষে দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তবে বৈঠকে নির্বাচনী টাইম ফ্রেম সম্পর্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে সিইসি কোনো ধারণা দিয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কমিশনের কেউ এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।
বৈঠক শেষে প্যাট্রিসিয়া বিউটেনিস নির্বাচন কমিশনে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে নির্বাচন কমিশনে এসেছি। কবে নাগাদ আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে তার একটা টাইম ফ্রেমও আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছি। জর”রি অবস্থা ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে জনমনে সৃষ্ট নানা প্রশ্নের অবসানের লক্ষ্যে কমিশনকে আমরা নির্বাচনী সময়সীমা ঘোষণারও আহ্বান জানিয়েছি।

এক প্রশ্নের জবাবে বিউটেনিস বলেন, তবে আমরা এটাও বুঝি যে, সংস্কার কার্যক্রম শেষ হওয়ার ওপরই নির্ভর করছে নির্বাচনী সময়সীমা ঘোষণা। প্রসঙ্গক্রমে তিনি আরো বলেন, অর্থবহ পরিবর্তনের লক্ষ্যে কমিশনের উচিত রাজনৈতিক দলগুলোকে সংস্কার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা। তাই সংস্কার নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে ইসির এখনই আলোচনায় বসা প্রয়োজন। এর কারণ হিসেবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। তবে তার বক্তব্যের জবাবে সিইসি কি বলেছেন সাংবাদিকদের কাছে তিনি তা প্রকাশ করেননি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে বিউটেনিস বলেন, কমিশনের সঙ্গে ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও ভোটার আইডি কার্ড তৈরিসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিগত দিনের নানা কার্যক্রম সম্পর্কে সিইসি আমাদের অবহিত করেছেন। বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভব সকল প্রকার সহায়তা দেবে। বিশেষ করে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদানে যুক্তরাষ্ট্র প্রস’ত রয়েছে। তবে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোসহ অন্যরাও কমিশনকে সহায়তা করবে বলে যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাশা করে। Source:ভোরের কাগজ
Date:2007-04-04

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: