ইটিভি টেরিস্ট্রিয়াল সুবিধা পাবে না : মইনুল

তথ্য ও আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেছেন, তথ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের সঙ্গে একুশে টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের কোন চুক্তি নেই। একুশে টিভি কর্তৃপক্ষ চুক্তি না থাকার তথ্যটি প্রবঞ্চনামূলকভাবে তথ্য গোপন রেখে হাইকোর্ট থেকে রায় নিয়েছে। বিটিভির টেরিস্ট্রিয়াল ব্যবহার করছে। সোমবার বিকালে মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি একথা বলেন। তথ্য গোপন রাখার বিষয়টি হাইকোর্টকে অবহিত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এক প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, একুশে টিভির সঙ্গে বিটিভির কোন চুক্তি নেই। তাই একুশে টিভিকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মতো কেপিআইভুক্ত স্পর্শকাতর স্থাপনায় প্রবেশের অনুমতি দেয়ার অবকাশ নেই। তিনি বলেন, গত সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কেবল বিটিভি টেরিস্ট্রিয়াল সুবিধা পাবে। তাই ইটিভি এ সুবিধা পাবে না। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন আরও বলেন, একুশে টিভিকে লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টের রায়ে অনিয়মের অভিযোগে একুশে টিভির লাইসেন্স বাতিল করা হয়। পরে একুশে টিভি কর্তৃপক্ষ নতুনভাবে লাইসেন্সের জন্য কোন দরখাস্ত করেনি। তারা ২০০৫ সালের ৮ মার্চ সম্প্রচারের অনাপত্তির জন্য দরখাস্ত দেন। তাদের এটিএন ও চ্যানেল আই ইত্যাদির মতো সম্প্রচারের অনুমতি দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে বিটিআরসি একুশে টিভিকে ফ্রিকোয়েন্সি প্রদান করে এবং বিটিভির টাওয়ার ব্যবহার করে। কিন্তু একুশে টিভির সঙ্গে বিটিভি কিংবা তথ্য মন্ত্রণালয়ের কোন চুক্তি নেই। ফলে টেরিস্ট্রিয়াল ব্যবহার করার এবং বিটিভির টাওয়ার ব্যবহার করার কোন সুযোগ একুশে টিভি কর্তৃপক্ষের নেই। তিনি আরও বলেন, সব চ্যানেলই টেরিস্ট্রিয়াল পেতে পারে। নিজস্ব অর্থায়নে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, একুশে টিভি কর্তৃপক্ষ আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে আইনগত মতামতের জন্য কোন আবেদন করেনি। কিন্তু কয়েকটি পত্রিকা আইন মন্ত্রণালয়ের নামে মিথ্যা ও অসৎ প্রচারণা চালাচ্ছে। একুশে টিভির ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয় কিংবা তথ্য মন্ত্রণালয়ের কিছু করার নেই। বরং একুশে টিভি কর্তৃপক্ষ তথ্য গোপন করে হাইকোর্টের রায় নিয়েছে।

আইন উপদেষ্টা বলেন, একুশে টিভির সম্প্রচারের পারমিশন এখনও বৈধ রয়েছে। তাছাড়া স্যাটেলাইটের জন্য কোন লাইসেন্সের দরকার হয় না। ঘরোয়া রাজনীতি কখন শুরু করার অনুমতি দেয়া হবে? এই প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, শিগগিরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ সিদ্ধান্ত হতে হবে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে। কারণ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইতিমধ্যেই ঘরোয়া রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। Source:দৈনিক যুগান্তর
Date:2007-04-10

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: