খালেদাকে ২২ এপ্রিলের মধ্যে দেশ ছাড়ার আল্টিমেটাম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সপরিবারে বিদেশ যাওয়ার জন্য রাজি হয়েছেন। তবে তারেক রহমানকে জেলে রেখে তিনি সপরিবারে বিদেশে যাবেন না বলে বেঁকে বসেছেন। জানা যায়, এ নিয়ে একটি সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে খালেদা জিয়ার কয়েক দফা কথা হয়েছে। তিনি এ কথাতেই অনড় যে, বড় পুত্র তারেক রহমানকে জেলে রেখে তিনি দেশ ছাড়বেন না। খালেদা জিয়াকে আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে সপরিবারে বিদেশ যাওয়ার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয় বলে জানা যায়। আজ বুধবার থেকে ২২ এপ্রিলের মধ্যে যে কোনদিন খালেদা জিয়ার সপরিবারে বিদেশ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গতকাল খালেদা জিয়া, কোকো ও তার স্ত্রী, দুই কন্যা, তারেক রহমানের স্ত্রী ডাঃ জোবাইদা রহমান ঝুনু ও তার কন্যাসহ পরিবারের সাত সদস্যের ভিসা গ্রহণ করেছেন। গতকাল রাত সাড়ে ৯টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওমরাহ করার জন্য খালেদা জিয়া সপরিবারে জেদ্দার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে। খোঁজ-খবর নিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়নি। গতকাল বিকালে তারেক রহমানের সঙ্গে জেলখানায় তার স্ত্রীর দেখা করার কথা ছিল। তিনি গতকাল যাননি।

এদিকে গত এক মাস যাবৎ খালেদা জিয়া পুত্র ও নাতনীদেরসহ পরিবারের সকলকে নিয়ে বিদেশে চলে যাচ্ছেন বলে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। দেশব্যাপী চলছে এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা। বিদেশ যাওয়া নিয়ে একটি সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে খালেদা জিয়ার কয়েক দফা আলোচনা হয়।

গত রবিবার মধ্যরাতে ক্যান্টনমেন্ট মইনুল রোডের বাসা থেকে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে আটক করা হয়। তাকে যৌথ বাহিনী ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে। কোকোকে গ্রেফতারের পর খালেদা জিয়া মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। দলীয় নেতারা এই সময় খালেদা জিয়ার পাশে নেই। যোগাযোগ করেও তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলতে বেশিরভাগ সময় ব্যর্থ হন। এই অবস্থার প্রেৰিতে তিনি সপরিবারে বিদেশে যাওয়ার প্রসত্দাবে রাজি হন। এ কারণে কোকোকে আটকের ২৪ ঘন্টা পর যৌথ বাহিনীর সদস্যরা সোমবার মধ্যরাতে মইনুল রোডের বাসায় পেঁৗছে দেয় বলে জানা যায়।

অপর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায় যে, তারেক রহমানকে নিয়ে খালেদা জিয়া বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে অনড়। এই বিষয়টি নিয়ে সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা দফায় দফায় আলোচনা করছেন। তারেক রহমানকে সঙ্গে নিয়ে খালেদা জিয়া সপরিবারে বিদেশে যাবেন অথবা তারেক রহমানকে পরে বিদেশে পাঠানো হবে- এ দু’টি বিষয় নিয়ে কথাবার্তা চলছে বলে জানা যায়। রাতে ক্যান্টনমেন্টের মইনুল রোডের বাসায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে ভাই সাঈদ ইস্কান্দার ও তার স্ত্রীসহ কয়েকজন পরিবারের সদস্য দেখা করেন।
সূত্রঃ http://www.ittefaq.com/get.php?d=07/04/18/w/n_zuxvrz

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: