দুর্নীতির চক্রের সঙ্গে জড়িত উঁচু মহল নিয়ে আমরা কাজ করছিঃ জেনারেল মাসুদ

দুর্নীতিসহ গুরুতর অপরাধ দমন বিষয়ক ‘জাতীয় সমন্বয় কমিটি’র প্রধান সমন্বয়ক ও নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, সমাজের উঁচু মহলে যারা দুর্নীতির চক্রের সঙ্গে জড়িত তাদের বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করছি। এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যারা মামলা তদন্ত করছে তাদের অনেকের অভিজ্ঞতা নেই। এছাড়া তালিকার বাইরেও অনেক লোক আছে যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। একই প্রক্রিয়ায় সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। গতকাল বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্যদের মামলার ব্যাপারে অভিজ্ঞতা না থাকায় কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাচ্ছিল। তাই দুর্নীতি সংক্রান্ত কার্যক্রমকে কীভাবে আরো গতিশীল করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

দুর্নীতিসহ গুরুতর অপরাধ দমন অভিযান বিষয়ক ‘জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ গঠনের পর এই প্রথম দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সমন্বয় সভা করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন দুদক চেয়ারম্যান জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী পরিষদের সচিব, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং নবম পদাতিক ডিভিশন, পুলিশের আইজি, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, অর্থ বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, দুদকের দুই কমিশনার, মহাপরিচালক এবং পরিচালকবৃন্দ।

মেজর জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, টাস্কফোর্সের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে দুর্নীতি দমন কমিশনকে একটা স্বচ্ছ ধারণা দেয়া হয়েছে। সমন্বয় কমিটির সঙ্গে অন্যান্য সংস্থার বেশ কিছুদিন ধরে একটা সমস্যা চলছিল। ভুল বুঝাবুঝির অবসানে একটা সমঝোতার প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, অনেকদিন ধরে দুদক জনবল সংকটে ভুগছে। জনবলের অভাব পূরণের লক্ষ্যে অন্যান্য সংস্থা থেকে প্রেষণে জনবল নিয়োগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনকে সহযোগিতা করার জন্য জাতীয় সমন্বয় কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। জরুরি বিধিমালা অনুযায়ী দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত মামলায় যেসব সংস্থা কাজ করছে, সেসব সংস্থাকেও সহযোগিতা করা হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে কিছু ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আনা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে তদন্তকারী কর্মকর্তারা কঠিন কাজগুলো করছেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। এ ব্যাপারে কমিশন একটি নীতিমালা প্রণয়ন করবে। Source:দৈনিক ইত্তেফাক
Date:2007-04-19

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: