চট্টগ্রামে দেশের প্রথম গার্মেন্ট পল্লী তৈরির উদ্যোগ

চট্টগ্রামে দেশের প্রথম পরিকল্পিত গার্মেন্ট পলস্নী প্রকল্প হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতর্ৃপৰ (সিডিএ)। নগরীর হামজারবাগ এলাকার ১৯৪ একর জায়গায় প্রসত্দাবিত প্রকল্পটির নাম দেয়া হয়েছে ‘সিডিএ পার্ক টাউন’। এছাড়া নগরীর সল্টগোলায় দুই একর জায়গার ওপর নির্মাণ করা হবে এক হাজার নারী গার্মেন্ট কর্মীর জন্য ডরমিটরি ও ১০০টি ছোট পস্নট।

সিডিএ সূত্রে জানা গেছে, গার্মেন্ট পলস্নী প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৬৯ দশমিক ৭০ মিলিয়ন ডলার। গত ফেব্রম্নয়ারি মাসে হাতে নেয়া এ প্রকল্প ২০১১-১২ সালের মধ্যে বাসত্দবায়ন হতে পারে বলে জানা গেছে। প্রকল্পটি এখন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেৰায় রয়েছে।

সিডিএর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শাহ মুহাম্মদ আখতার উদ্দিন যায়যায়দিনকে বলেন, দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি গার্মেন্টের জন্য আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি। প্রকল্প দুটির মাধ্যমে দেশের গার্মেন্ট ইন্ডাস্টৃতে আরো গতি সঞ্চার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি এম এ সালাম সিডিএর এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ দুটি প্রকল্প বাসত্দবায়িত হলে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে আরো গতি আসবে এবং প্রকল্পের আশপাশের এলাকায় বিনিয়োগের আরো সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি এ দুই প্রকল্পকে গার্মেন্ট মালিক ও শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি বলে উলেস্নখ করেন।

সিডিএ সূত্র জানায়, আধুনিক ও ব্যতিক্রমধর্মী এ প্রকল্পে দুই ক্যাটেগরির শিল্প পস্নটের মধ্যে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে থাকবে ১০৫টি পস্নট। ‘বি’ ক্যাটেগরিতে গার্মেন্ট এক্সেসরিজ তৈরির জন্য সাপোর্ট ইন্ডাস্টৃ পস্নট থাকবে ৬৬টি, কমার্শিয়াল পস্নট থাকবে সাধারণ গ্রেডের ১০টি ও স্পেশাল গ্রেডের ৫টি। শিল্পের পণ্য আনা-নেয়ার জন্য থাকবে নয় একর জমির ওপর একটি ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপো (আইসিডি)।

এছাড়া সেখানে তিন ও আড়াই কাঠার আবাসিক পস্নট থাকবে ৭৩৯টি, হাইরাইজ অ্যাপার্টমেন্ট হবে ৭৫টি, শ্রমিক ডরমিটরি বস্নক হবে ৩৪টি, মালিকদের জন্য ডুপেস্নক্স বাড়ি হবে ২১টি, দুই একর জায়গায় গড়ে তোলা হবে আবাসিক হোটেল, শপিং কমপেস্নক্স, বাস স্টেশন ও পার্কিং সেন্টার। দুই দশমিক শূন্য সাত একর জায়গায় অফিস, ট্রেনিং সেন্টার ও ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার হবে। থাকবে স্কুল, কলেজ, মসজিদ, কবরস্থান, প্রশসত্দ খেলার মাঠ ও হসপিটাল। ৬ দশমিক ৮৪ একর জায়গার ওপর হবে চারটি পার্ক, ১ দশমিক ৮৪ একর জায়গায় হবে সবুজ চত্বর। বৈদু্যতিক সাব-স্টেশন, ওয়াসার সাব-স্টেশন ও দমকল স্টেশনও থাকবে। প্রকল্পের মেইন রোড হবে ১২০ ফিট। অন্যান্য অভ্যনত্দরীণ রোড ৬০, ৪০ ও ২০ ফিটের। প্রকল্পের পানি সেচের জন্য থাকবে ৬০ ফিটের একটি খাল। প্রসত্দাবিত প্রকল্পে সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি রয়েছে রেল যোগাযোগের ব্যবস্থাও। রেল লাইন ঘেষে আইসিডি হলে ওয়াগনে সরাসরি পণ্য আনা-নেয়া করা সম্ভব হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্র জানায়।

এছাড়া নগরীর সল্টগোলায় সিডিএর উদ্যোগে নারী শ্রমিকদের জন্য ‘ডরমিটরি ফর ওয়ার্কিং উইমেন ইন গার্মেন্ট সেক্টর’ প্রকল্পে দুই রম্নমের ছোট ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। এসব ফ্ল্যাট গার্মেন্ট কর্মীদের মধ্যে ন্যায্য দামে বিক্রি করা হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সহজে কেনার জন্য এ প্রকল্পে থাকবে মার্কেট। থাকবে হসপিটাল ও খেলার মাঠ।

সূত্রঃ http://www.jaijaidin.com/details.php?nid=6983

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: