জরুরি ক্ষমতায় অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন আবেদন শুনতে পারবে হাই কোর্ট

জরুরি ক্ষমতা বিধিমালায় কোনো অপরাধে অভিযুক্তের জামিন আবেদন হাই কোর্ট শুনতে পারবে। তবে জামিন দেয়ার বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার।
গতকাল রবিবার জাস্টিস নজরম্নল ইসলাম চৌধুরী ও জাস্টিস এস এম এমদাদুল হক সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

গত ২১ মার্চ রাতে প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ জরম্নরি ৰমতা বিধিমালা-২০০৭-এর দ্বিতীয় দফা সংশোধন করেন। সংশোধনীতে বলা হয়, এ বিধিমালার আওতায় কোনো অপরাধ অনুসন্ধান, তদনত্দ ও বিচার চলাকালে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো আদালত বা ট্রাইবুনালে জামিনের আবেদন করতে পারবে না। এছাড়া চূড়ানত্দ রায় হওয়ার আগে উচ্চতর কোনো আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে কোনো প্রতিকারও দাবি করা যাবে না। এ আইনের আওতায় কোনো আদালতে বিচার কাজ শুরম্ন হওয়ার দিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। মামলার শুনানি তিনদিনের বেশি মুলতবি রাখা যাবে না।

গত ২৯ মার্চ খুলনার মাইজউদ্দিন সিকদার নামে এক ব্যক্তি জরম্নরি ৰমতা বিধিমালার অধীন এক অপরাধে জামিনের আবেদন করলে এ বিষয়ে হাই কোর্ট জামিন দিতে পারে কি না তার শুনানি হয়। জরম্নরি ৰমতা আইনে বিচার চলাকালে জামিন দেয়া যায় না বলে আদালতে সরকার পৰের বক্তব্যের পরিপ্রেৰিতে এ বিষয়ে বিসত্দারিত শুনানি হয়। শুনানিকালে আদালত এ আইনের পর জামিনের বিষয়ে হাই কোর্টের ৰমতা সম্পর্কে কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবীর পরামর্শ চায়। ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিকুল হক, আবদুল মালেক, খন্দকার মাহবুবউদ্দিন আহমাদ ও আবদুল মতিন খসরম্ন আদালতে এ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

তারা শুনানিতে বলেন, হাই কোর্ট জামিন দিতে পারবে। ওই আইনে আদালত বলতে উচ্চতর আদালতকে বোঝায়নি। আদালত অর্থে বিচারিক আদালত বোঝানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সুপৃম কোর্ট সংবিধানের ব্যাখ্যা দিতে পারে। তাই সর্বোচ্চ আদালত জরম্নরি ৰমতা আইনের মামলায় জামিনও দিতে পারে। এ প্রসঙ্গে ইনডিয়ান ও বাংলাদেশের সুপৃম কোর্টের বেশ কয়েকটি মামলার নজির উপস্থাপন করে বলা হয়, জামিন দেয়ার এখতিয়ার হাই কোর্টের রয়েছে। তবে জামিন দেবে কি দেবে না তা বিবেচনার ওপর নির্ভর করবে। সুপৃম কোর্টের এখতিয়ার খর্ব করতে হলে সুস্পষ্টভাবে আইনে উলেস্নখ করতে হবে। কিন্তু জরম্নরি ৰমতা বিধিমালায় এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। সুপৃম কোর্টের ৰমতা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত।

রায়ের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী আলাল বলেন, আদালত তার বিবেচনায় রায় দিয়েছে। এ রায়ের বিরম্নদ্ধে আপিল করবেন কি না তা হাই কোর্টের রায় হাতে পাওয়ার পর তারা সিদ্ধানত্দ নেবেন।
সূত্রঃ http://www.jaijaidin.com/details.php?nid=7109

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: