৩৫ জনকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সম্মাননা

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ৩৫ বছর পূর্তি উপলৰে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং দেশের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ৰেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ৩৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা দেয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার সাভারে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ ভবনে পূর্তি উপলক্ষে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। গতকাল বর্ণাঢ্য এক মিলনমেলার মধ্য দিয়ে পুরস্কৃতদের মাঝে সম্মাননা ও ক্রেস্ট দেয়া হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে গণ বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন মিসেস তাহেরম্নন্নেসা আবদুলস্নাহ অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন।

এ উৎসবে ২০টি দেশের ৭৮ জন বিশিষ্ট অতিথি অংশগ্রহণ করেন। চার দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান চলবে আগামী মঙ্গলবার পর্যনত্দ। চিকিৎসা ৰেত্রের বিভিন্ন বিষয়সহ জেন্ডার ইসু ও গেস্নাবাল ওয়ার্মিং বিষয়ে বেশ কয়েকটি সেমিনার ও কর্মশালাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর আবুল কাসেম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি সাদেক খান, মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউলস্নাহ বীর উত্তম, মেজর জেনারেল (অব.) সি আর দত্ত বীর উত্তম, নুরম্নল আলম, ভাষা সৈনিক মাহবুব উল আলম চৌধুরী। প্রবীণ সাংবাদিক নির্মল সেনের একটি বক্তব্য অনুষ্ঠানে পড়ে শোনানো হয়।

অনুষ্ঠানটি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ৩৫ বছরের যাত্রা পথে যারা বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করেছেন সে সব মৃত সহযোগীদের উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়। সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রফেসর আবুল কাসেম চৌধুরী বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র আজ দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের সম্মান দেয়ার সুযোগ পেয়ে নিজেই সম্মানিত হয়েছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের যাত্রা সাধারণ মানুষের জন্য। এ যাত্রা পথে অনেক বাধা এসেছে। সব বাধা মোকাবেলা করে আজ গণস্বাস্থ্য দেশের সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ৰার প্রতীক হয়ে দাড়িয়েছে। তিনি বলেন, এ বছরকে সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বছর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকাসহ নয়টি জেলায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রায় ১০ লাখ মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপিত অঞ্চলগুলোতে মা ও শিশু মৃতু্যর হার আগের চাইতে অনেক কমে গেছে বলে তিনি উলেস্নখ করেন।

দেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং অব্যাহত সংগ্রামে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী যে ৩৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা দেয়া হয়েছে তারা হলেন লে. কর্নেল (অব.) আবু ওসমান চৌধুরী, উইং কমান্ডার এম হামিদুলস্নাহ খান বীর প্রতীক, নূরজাহান বেগম (কাকন বিবি), মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, মেজর জেনারেল (অব.) সি আর দত্ত বীর উত্তম, বেগম মুশতারী শফী, ডা. আজিজুর রহমান, সুজেয় শ্যাম, শ্রী কার্তিক শীল, মাহবুব উল আলম চৌধুরী, কর্নেল (অব.) কাজী নুরম্নজ্জামান, মোঃ হারেজ উদ্দিন সরকার, মতিয়া চৌধুরী, জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা), ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, মোঃ নুরম্নল আলম, হরিপদ কাপালী, সেলিনা হোসেন, মহিউদ্দিন আহমদ, মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, মেজর জেনারেল (অব.) কে এম শফিউলস্নাহ বীর উত্তম, লে. জেনারেল (অব.) মীর শওকত আলী বীর উত্তম, এয়ার কমোডর (অব.) এ কে খন্দকার, শাইখ সিরাজ, শ্রী নরেন্দ্র নাথ দেব, নির্মল সেন, ড. হালিমা খাতুন, লে. কর্নেল (অব.) জিয়াউদ্দিন বীর উত্তম, ফরহাদ মাযহার, ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম নুরম্নল হুদা, ড. ফ্লোরা জেবুন মজিদ, শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী, ডা. নায়লা খান, আবদুল মতিন ও প্রফেসর ড. জামাল নজরম্নল ইসলাম। প্রধান অতিথি সম্মানিত ব্যক্তিদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। সম্মাননাপ্রাপ্ত অনেকেই স্মৃতিচারণ করেন। তারা বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এমন একটি প্রতিষ্ঠান যারা যে কোনো ইমার্জেন্সি মোকাবেলা করতে পারে। স্বাস্থ্য ও সমাজ সেবায় এ প্রতিষ্ঠানটির কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।

সূত্রঃ http://www.jaijaidin.com/details.php?nid=7974

৩৫ জনকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সম্মাননা-এ একটি মন্তব্য হয়েছে

  1. Laila বলেছেন:

    আর্মিদের মায়েরে চুদি

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: