নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার এটাই উপযুক্ত সময় : সুলতানা কামাল

বৃটিশ শাসনামল থেকেই অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামে লিপ্ত বাঙালি নারীরা। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে বর্তমান সময় পর্যন্ত সে অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। তবে সমাজে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এখনই উপযুক্ত সময়। এ সময়টাকে কাজে লাগাতে পারলে নারী সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি বাসত্দবে রূপ নেবে। গতকাল বেসরকারি সুশাসন ও মানবাধিকার সংস্থা ডেমক্রেসিওয়াচের এক মতবিনিময় সভায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল এ কথা বলেন।

‘নারী অগ্রযাত্রা : পিতৃতন্ত্র ও নারীবাদ শীর্ষক’ আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেমক্রেসিওয়াচের নির্বাহী পরিচালক তালেয়া রেহমান ও সংগঠনের পরামর্শক তাহরম্নননেসা আবদুলস্নাহ। এছাড়া ডেমক্রেসিওয়াচের ‘জেন্ডার এবং গভর্নেন্স ট্রেনিং প্রোগ্রাম’-এর ছাত্রছাত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আলোচক হিসেবে আসা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং আইন ও শালিস কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল বলেন, নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া প্রায় ১০০ বছর আগে তার লেখনির মাধ্যমে নারী মুক্তির বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। কিন্তু পিতৃতান্ত্রিক এ সমাজে সামরিক শাসনসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে নারী মুক্তি পুরোপুরি বাসত্দবায়িত হয়নি। এ ৰেত্রে পুরম্নষের মানসিকতার সঙ্গে সঙ্গে নারীর মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন। নারীকে প্রথম নিজের কাছে নিজেকে পরিষ্কার করতে হবে। নিজের অধিকার সম্পর্কে নিজেকে সচেতন হতে হবে। তিনি আরো বলেন, সমাজে নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সবচেয়ে বড় দায়িত্বটি ন্যসত্দ রয়েছে রাষ্ট্রের হাতে। কিন্তু আমাদের সংবিধানে জনজীবনে নারীর অধিকারের বিষয়টি সংযোজিত থাকলেও নারীর ব্যক্তি জীবনের বিষয়টি অনত্দর্ভুক্ত হয়নি। তাই ব্যক্তি জীবনে প্রতিনিয়তই নারীকে বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে।

তালেয়া রেহমান বলেন, নারী মুক্তির আন্দোলনে আমরা কিছুটা হলেও সফলতা পেয়েছি। তবে অর্জনের এখনো অনেক কিছু বাকি রয়েছে। তাই সমাজে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের কাজ অব্যাহত রাখতে হবে। তবেই তা পূর্ণতা পাবে।

যশোর ও নীলফামারীতে কর্মসূচি

ইউনিয়ন পরিষদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা চর্চা নিশ্চিত করার লৰ্যে দাতা সংস্থা ড্যানিডার সহায়তায় ডেমক্রেসিওয়াচ যশোর ও নীলফামারীতে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আগামী বুধবার থেকে যশোর জেলার সদর উপজেলার ১৫টি এবং নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পাচটি ইউনিয়নে এ কার্যক্রম চলবে। যশোরে স্বপ্ন সাহায্য সংস্থা এবং নীলফামারী জেলার নীলাচল এ কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করবে।

সূত্রঃ http://www.jaijaidin.com/details.php?nid=9145

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: